জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “জোয়ার ভাঁটা” সিরিয়ালে সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম অফিসার জিৎ বসু তার লক্ষ্যের দিকে আরো একধাপ এগিয়ে গেল.! আসলে জিৎ বসু তার টিমের সাহায্যে আসানসোলে যারা নিশাকে বোমা সাপ্লাই করেছিল তাদেরকে গ্রেফতার করে। শুধু তাই নয় তাদের পেট থেকে অন্তু বলে একজনের নামও বের করে। 👍
কিন্তু জিত বসু যখন সেই খবরটা ঋষিকে জানায়, সে তখন স্বাভাবিকভাবে সেই কথাটা উজিকে জানায়। উজি আবার সেটা জানতে পেরে নিশাকে জানিয়ে দেয় সেই কথাটা। ফলে নিশা কায়দা করে উপস্থিত হয়ে যায় জিত বসুর কাছে। 👀 এরপর নিশা সেখানে পৌছে এইটুকু জানতে পারে, যে তাদেরকে এখনো কেউ আইডেন্টিফাই করতে পারেনি। 👍
এরপর নিশা যখন সেখান থেকে বেরিয়ে যায় তখন জিত বসু আবার ঋষির থেকে জানতে পারে, ঋষি হরিপ্রসাদ বাবুর থেকে জমি কিনেছিল। ফলে জিৎ বসু বিতানের বাবা হরিপ্রসাদ বাবু এবং ঋষিকে জমি বিক্রি করা হরিপ্রসাদ বাবু একই ব্যক্তি কিনা, এই নিয়ে তদন্ত করা শুরু করে। এরপর সে ও ঋষি দুজনেই আসানসোলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। 👍
ওদিকে মেসো ও শঙ্খ আবার নিজেদের কুকীর্তি ধামাচাপা দিতে এবং হরিপ্রসাদ বাবুর দুই মেয়ে নিশা ও উজির ছবি যোগাড় করতে মিথ্যে কথা বলে আসানসোলে যায়.! 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি ঐ বোমা কাণ্ডে উঠে আসা অন্তুর নাকি অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যায়.! ফলে এই খবর শুনেই ভয় পেয়ে যায় নিশা ও ভানু। কারণ ওই অন্তুর যদি জ্ঞান ফিরে আসে, তাহলে তারা তো ফেঁসে যাবে.! 😜
এদিকে উজিও সম্ভবত ঋষির থেকে জানতে পারে যে মেসো ও শঙ্খ মিথ্যে কথা বলে আসানসোলে হাজির হয়েছে। ফলে উজি এবার দুইয়ে দুইয়ে চার করার চেষ্টা করে এবং বুঝতে পারে, যে তার বাবার মৃত্যুর পিছনে আসলে মেসো ও শঙ্খরই হাত রয়েছে.? 🤔
So এখন শুধু এটাই দেখার, ঐ অন্তুর জ্ঞান ফিরলে আদৌ সে সত্যিটা জিৎ বসুকে জানাতে পারে কিনা.? 🤔 আর উজি তার সন্দেহের স্বপক্ষে কোন বাস্তব প্রমাণ জোগাড় করতে পারে কিনা.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, কি হতে চলেছে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




