জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “জোয়ার ভাঁটা” এই মুহূর্তে এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে এক ধাক্কায় পুরো খেলার মোড় ঘুরে গেছে। জেলের ভেতরে বসেই দুর্জয় ঘোষাল এমন এক চাল চালল, যা দিয়ে মেরে ফেলল এক ঢিলে দুই পাখি। একদিকে উজিকে বিষ খাইয়ে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া, অন্যদিকে সেই ঘটনার দায় ঘুরিয়ে নিশার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সাম্প্রতিক পর্বে দেখা যায়, উজির পুলিশ হওয়ার খুশিতে তাকে নিয়ে বাইরে খেতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে ঋষি। সেই প্ল্যানে যোগ দেয় নিশা, জিৎ এবং ঋষির বোন খেয়া। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে তৈরি হচ্ছিল বড় চক্রান্ত। ঐশী, যে আগে উজির কারণে নিজের মায়ের গয়না চুরি করে ধরা পড়ে গিয়েছিল, সেই এবার প্রতিশোধ নিতে জেলে থাকা দুর্জয়ের কাছে খবর পৌঁছে দেয়। আর সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন পরিকল্পনা।
রেস্টুরেন্টে পৌঁছনোর পরেই সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। উজির মকটেলে গোপনে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়। পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই উজি অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মুখ দিয়ে রক্ত উঠে লুটিয়ে পড়ে। পরিস্থিতি গুরুতর দেখে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার পর জিৎ বুঝতে পারে, বিষয়টি সাধারণ কিছু নয়। সে তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহ যায় এক ওয়েটারের ওপর। কিন্তু তাকে ধরার আগেই সে পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার সময় তার মোবাইলটি ফেলে রেখে যায়, যা জিতের হাতে আসে। প্রথমে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বলে মনে হলেও পরে বোঝা যায়, এটাও ছিল দুর্জয়ের সাজানো ফাঁদ।
আসলে সেই মোবাইলের ভেতরে এমন কিছু তথ্য রাখা ছিল, যা নিশার দিকে আঙুল তোলে। প্রিক্যাপ অনুযায়ী হাসপাতালে জিৎ জানায়, এই ঘটনার পেছনে নিশার হাত রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই অভিযোগ শুনে ভেঙে পড়ে নিশা। সে বারবার নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে। কিন্তু অতীতে তার করা ভুলের কারণে কেউ তার কথা বিশ্বাস করতে চায় না।
সব মিলিয়ে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, দুর্জয়ের পরিকল্পনা অনেকটাই সফল হয়েছে। সে একদিকে উজিকে আঘাত করেছে, অন্যদিকে নিশাকে এমনভাবে ফাঁসিয়েছে যে পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি তার বিপক্ষে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নিশা কীভাবে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে। আর উজি কত দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরে আসতে পারবে। আগামী পর্বগুলোতে এই দুই দিকই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে।




