জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে গতকালের এপিসোডে অবশেষে ঘটলো সেই বহু প্রতিক্ষীয় ঘটনা, যেটার জন্য অপেক্ষা করেছিল দর্শক মহল.! হ্যাঁ, অবশেষে অনেক চেষ্টার পর গতকাল পিওর লাইফের প্রাক্তন এমপ্লয়ি সুবিনয় ও রজতের মৃত্যুর পেছনে জড়িত থাকার অভিযোগে সংযুক্তাকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। 😱
তো পারুল যখন রায়ান ও অনিরুদ্ধ বাবুর সাহায্যে সংযুক্তার খাওয়া সেই সিগারেটের বাটসটি পেয়ে যায় এবং সেটার সাথে সংযুক্তার DNA ম্যাচ করে, তখন তারা সিওর হয়ে যায় যে সুবিনয়কে সংযুক্তাই হত্যা করেছে। 👀
এরপরেই আমরা দেখতে পাই অফিসে এসে হাজির হয়েছে পুলিশ। আর পুলিশ সুবিনয় ও রজতকে হত্যা করার অভিযোগে সংযুক্তাকে গ্রেফতার করে। আর এরপরেই আমরা দেখি সেই কেস উঠেছে কোর্টে। 👍 কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে এতকিছু করার পরেও পারুল কিন্তু কোন ভাবেই সংযুক্তার বিরুদ্ধে কোন সলিড প্রমাণ দেখাতে পারেনি.! এমন কোন প্রমাণ, যেটা প্রমাণ করে সংযুক্তা সুবিনয় ও রজতের খুন করেছে.! কিন্তু হ্যাঁ, পারুল এটা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়, যে সুবিনয়কে হত্যা করার পেছনে সংযুক্তার স্ট্রং মোটিভ রয়েছে। 👍
এরপর আমরা এটাও দেখতে পাই, পারুল জজের সামনে সংযুক্তার ট্যাক্স চুরি এবং কোম্পানির টাকা চুরি করে সে যে দামি দামি বেআইনি জিনিসপত্র তার বাড়িতে স্টোর করে রেখেছে, সেটাও জানিয়ে দেয়.! আর পারুল জজকে বলে, উনি যেন এক্ষুনি সংযুক্তার বাড়িতে পুলিশ পাঠান.! 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি পিসিমণি ও অনিরুদ্ধ স্যার ছদ্দবেশে হাজির হয় রজতের বাড়িতে। আর সেখানে গিয়েই তারা জানতে পারে, রজতকে কোন একটি মেয়ে তাকে শ্লীলতাহানি করার মিথ্যে কেসে ফাঁসিয়ে বদনাম করে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে.! 👀
So আমি যদি ভুল না হই, তাহলে সেই মেয়েটি হচ্ছে সংযুক্তারই স্নেহধন্য পাত্রী রশ্মিকা.! 👍 তাই এখন এটাই দেখার পারুল ঐ রশ্মিকার মুখ দিয়ে সত্যিটা বের করে কিভাবে.? 🤔 আর সংযুক্তারই বা কি হলো, সে কি জামিন পেয়ে গেল.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




