জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালে জমে উঠেছে মন্ত্রী খোকন সাঁতরা ও গোস্বামী পরিবারের লড়াই। 🔥 কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম বিশাখাকে যখন খোকন সাঁতরার ছেলে রক্তিম জোর করে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে, সেই নিয়ে পরিস্থিতি গরম হয়ে ওঠে। আর এর পরেই আমরা দেখেছি খোকন সাঁতরার ও রক্তিমের গোস্বামী পরিবারকে থ্রেট করা এবং সেই থ্রেটের মোকাবিলায় দিতির রক্তিমকে জেলে পুরে দেওয়া। কিন্তু লড়াই এখানেই থেমে থাকেনি। কারণ হঠাৎ করেই আমরা দেখতে পাই গোস্বামী পরিবারের মেয়ে ইন্দুকে কিডন্যাপ করে খোকন সাঁতরা। 😱
খোকন সাঁতরা ইন্দুকে শুধুমাত্র কিডন্যাপ করেই কিন্তু ক্ষান্ত থাকেনি, উল্টে সে গোরাকে ফোন করে ধমকি দেয়.! সে গোরাকে জানায়, যে তার বোন বিশাখা যেন কোনভাবেই আদালতে রক্তিমের বিরুদ্ধে সাক্ষী না দেয়। আর যদি বিশাখা সাক্ষী দেয়, তাহলে গোরা তার বোন ইন্দুকে আর জীবিত অবস্থায় ফিরে পাবে না। 👀
স্বাভাবিকভাবেই এটা শোনার পরেই শোরগোল পড়ে যায় পুরো গোস্বামী পরিবারে। গোরার মা তো সুযোগ পেয়েই দিতিকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে উদ্যত হয়। কিন্তু গোরা তার মাকে কথা দেয়, যে সে তার বোনকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে আনবেই।
এদিকে আমরা দেখতে পাই খোকন সাঁতরার ছোট মেয়ে বৃন্দা অচিন্ত্যকে ফোন করে জানায়, যে ইন্দুকে তার বাবা তাদের বাড়িতেই আটকে রেখেছে। ফলে গোরা সিদ্ধান্ত নেয়, যে তাদেরকে যদি ইন্দুকে ছাড়িয়ে আনতে হয়, তাহলে খোকন সাঁতরার বিরুদ্ধে তাদেরকে জনমত তৈরি করতে হবে। সেই মতোই তারা খোল করতাল নিয়ে নেমে পড়ে রাস্তায় এবং গান গেয়ে গেয়ে সমস্ত এলাকাবাসীকে তাদের সমস্যার কথা শোনায়। এলাকাবাসীরা তাদের কথা শুনে তাদের সাথে মিলে খোকন সাঁতরার বাড়িতে হানা দেয়। আর তারপর তারা ইন্দুকে সেখান থেকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। 😱
কিন্তু এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, খোকন সাঁতরা নিজের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলে। সে দিকবিদিকশুন্য হয়ে সকলের সামনেই গোরার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে দেয়। 👀




