জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালের সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম, যে সংযুক্তার বিরুদ্ধে সলিড কোনো প্রমাণ পেশ করতে না পারলেও আদালত সংযুক্তাকে তিন দিনের পুলিশ কাস্টাডিতে রাখার আদেশ দেয় এবং পারুলকে এই তিন দিনের মধ্যে উপযুক্ত প্রমাণ পেশ করার আদেশ দেয়। 👍
স্বাভাবিকভাবেই পারুল তখন আর এক ভিক্টিম রজতের বাড়ির লোকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে। কিন্তু যখন তারা পারুলের সাথে কথা বলতে অস্বীকার করে, তখন পারুল কায়দা করে পিসিমণি এবং অনিরুদ্ধ স্যারকে সেখানে পাঠায়। তারা সেখানে গিয়ে জানতে পারে রজতের একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে সেই মেয়েটিই তাকে শ্লীলতাহানির কেসে ফাঁসিয়ে দেয়। তার ফলেই রজত আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। 😥 সেখান থেকে অনিরুদ্ধ স্যারেরা এটাও জানতে পারে, যে রজতের ওই বান্ধবীটির পারফিউমের খুব নেশা ছিল। আর রজত তাই তাকে ইমপ্রেস করতে হামেশাই পারফিউম গিফট করতো। 😱
এই কথাটা শোনার পরেই পারুলের মনে পড়ে, যে রজতের বাবা রজতের যে জিনিসপত্রগুলো পারুলদেরকে দিয়েছিল, সেখানে কিন্তু এইরকম একটা পারফিউমের বোতল রয়েছে। ফলে পারুল আর দেরি না করে সেই বোতলটাকে পর্যবেক্ষণ করা শুরু করে। এরপর সে যখন সে পারফিউমের গন্ধটা চেক করে, তখন তার মনে হয় যে এই গন্ধটা সে অফিসে তাদের ডিপার্টমেন্টেই কারো কাছ থেকে একটা পেয়েছে। 😱 ফলে পারুল ঠিক করে, এবার সে এই রহস্যের সমাধান তো অফিসে গিয়েই করবে। 👍
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি পারুল বুঝতে পেরে যায়, যে রশ্মিকাই হচ্ছে রজতের সেই গার্লফ্রেন্ড। তাছাড়া তার শরীর থেকেই কিন্তু সেই পারফিউমের গন্ধটা আসছে। ফলে পারুল তাকে চেপে ধরে। কিন্তু রশ্মিকা সমস্তটাই অস্বীকার করার চেষ্টা করে। তবে পারুলের কাছে রজতের ওই পারফিউমের বোতল থাকায় এবং পারুল তাকে চেপে ধরায় সে ভয় পেয়ে যায়। 👀 তবে ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, পারুল যে রশ্মিকার সাথে কথা বলছে এবং রশ্মিকা যে ভয় পেয়ে রয়েছে সেটা শিরিন দেখতে পেয়ে যায়। 😱
So এখন শুধু এটাই দেখার, রশ্মিকা শেষ পর্যন্ত সমস্তটা স্বীকার করতে বাধ্য হয় কিনা.? আর সে সংযুক্তার বিরুদ্ধে পারুলকে কোন প্রমাণ তুলে দেয় কিনা.? আর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ, শিরিন যেটা দেখল সেটা সংযুক্তাকে বা তার উকিলকে জানালে তারা কি স্টেপ নেয়.? 🤔




