জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলির মধ্যে “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালটি অন্যতম জনপ্রিয়। ভক্তি, কুটকাচালি এবং পুনর্জন্ম এই এই দিনের সমন্বয়ে তৈরি এই সিরিয়ালটি প্রথম থেকে দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সম্প্রতি এই সিরিয়ালেই আমরা দেখতে পেয়েছি, যে দিতি জানতে পেরে যায় তার আসল পরিচয়। তার ওপর গোরা আবার দিতিকে যখন স্ত্রী হিসেবে মানতে স্বীকার করে, তখন এক্কেবারে ভেঙ্গে পড়ে দিতি এবং সে তার নিজের বাবার সাথে নিজের বাড়ি ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
কিন্তু এর ফলে হাতের মুঠোয় একেবারে চাঁদ পেয়ে যায় পুলস্ত্য। কিন্তু গোরা দিতির বাবা সুশোভন বাবুকে পুলস্ত্যের ব্যাপারে সাবধান করে দেয়। ফলে সুশোভন বাবু তার মেয়ের বিয়ে পুলস্ত্যের সাথে দিতে অস্বীকার করে। যেটা আবার কিছুতেই মেনে নিতে পারে না পুলস্ত।
ফলে সে প্রথমে সুশোভন বাবুকে অসুস্থ করে দেয়। আর তারপর দিতিকে হাসপাতালে তার বাবার কাছে নিয়ে যাওয়ার নাম করে বিয়ে করবে বলে একটি মন্দিরে নিয়ে হাজির হয়। 😱
এদিকে আবার আমরা দেখতে পাই, যেই সাধুগুলো সব সময় গোরা ও দিতিকে রক্ষা করে এসেছে, তারা দিতির বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার জন্য গোরাকে তিরস্কার করে। সাথে তারা জানায়, যে দিতির জীবন সংকটে রয়েছে। ফলে গোরা আর দেরি না করে দিতিকে বাঁচাতে বেরিয়ে পড়ে।
প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে পুলস্ত্য দিতিকে জোর করে বিয়ে করতে চায়। কিন্তু দিতি বলে, আমি গোরাচাঁদের স্ত্রী। তাই আমি নিজে মরে যাব, কিন্তু তোমাকে বিয়ে করব না। এই বলেই দিতি নিজের গলায় ছুরি ধরে নিজেকে শেষ করতে যায়। এখানেই তোমাদেরকে বলে রাখি, গত জন্মেও কিন্তু এই একইভাবে পুলস্ত্য যখন ফুলকে পেতে চায়, তখন ফুল নিজেকে শেষ করে দেয়। 👀
কিন্তু এবার আর তেমনটা হয় না। কারণ দিতি যখন নিজেকে শেষ করতে যায়, তখন সেখানে হাজির হয় গোরা। আর সে দিতিকে বাঁচিয়ে নেয়। স্বাভাবিকভাবেই গোরাকে দেখে চমকে যায় পুলস্ত্য। 😱
So, এবার তাহলে দেখাই যাক, গোরা দিতিকে বাঁচানোর পর তাদের বাড়িতেই রেখে দেয়.! নাকি সে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে দিতিকে আবার ব্রজধামে ফিরিয়ে নিয়ে আসে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋



