জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “পরিণীতা”-তে আবারও আসতে চলেছে গল্পে একটি নতুন এবং ইন্টারেস্টিং মোড়। নতুন প্রোমো তো সেই ইঙ্গিতটাই দিচ্ছে.? নতুন প্রোমো প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি উত্তেজনা। কারণ এবার গল্প এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে ভালোবাসা, ইগো আর সিদ্ধান্ত, এই সবকিছু একসাথে জড়িয়ে পড়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এর আগেই আমরা দেখেছি, পরিতোষ বাবু এবং দাদু রায়ানকে নিজের মনের কথা স্বীকার করানোর জন্য একটা পরিকল্পনা করেছিলেন। পারুলের সঙ্গে ঋকের বিয়ের নাটক তৈরি করে তারা রায়ানকে চাপে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু সেই চাপের মধ্যেও রায়ান নিজের ভালোবাসার কথা মুখে স্বীকার করেনি।
আর এখান থেকেই নতুন টুইস্ট। বাড়ির লোকজন সত্যিই পারুলের সঙ্গে ঋকের বিয়ের আয়োজন করে ফেলে। পরিস্থিতি ধীরে ধীরে এমন জায়গায় পৌঁছে যায়, যেখানে পারুল কার্যত আটকে পড়ে যায় সিদ্ধান্তের জালে।
কিন্তু এই বিয়ে মেনে নিতে পারে না রায়ান। ভেতরে ভেতরে সে বুঝে যায়, এবার যদি কিছু না করে তাহলে পারুলকে সত্যিই হারাতে হবে। আর সেই জায়গা থেকেই সে নেয় এক চরম সিদ্ধান্ত।
প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, রায়ান তার বন্ধুদের নিয়ে একটা প্ল্যান করে। বিয়ে আটকানোর একমাত্র উপায় হিসেবে সে বেছে নেয় পারুলকে কিডন্যাপ করার পথ। এরপর বিয়ের দিন ছদ্মবেশে হাজির হয় রায়ান এবং তার টিম। সুযোগ বুঝে সবাইকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করে দেয় এবং সেই ফাঁকেই পারুলকে কিডন্যাপ করে নিয়ে যায়।
এই পুরো ঘটনায় গল্পে এসেছে একেবারে সিনেম্যাটিক টুইস্ট। ভালোবাসা স্বীকার না করা থেকে সরাসরি কিডন্যাপ, রায়ানের এই পরিবর্তনই এখন গল্পের মূল আকর্ষণ।
এখন প্রশ্ন একটাই। পারুলকে কিডন্যাপ করার পর কি অবশেষে নিজের মনের কথা বলতে পারবে রায়ান? নাকি এখানেও সে চুপ করে থাকবে? আর বাড়ির লোক কি বুঝতে পারবে, আসলেই কে পারুলকে নিয়ে গেছে? তারা কি সময়মতো পারুলকে উদ্ধার করতে পারবে?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই এখন দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। সামনে কী হতে চলেছে, সেটাই এখন দেখার।




