জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “জোয়ার ভাঁটা”-য় এবার গল্প একেবারে অন্য মাত্রা পেল। বিষ মেশানো ককটেল খাওয়ার পর প্রাণে বেঁচে গেল উজি ঠিকই, কিন্তু সে হারিয়ে ফেলেছে তার গলার স্বর। ডাক্তারের কথায়, ওই বিষে এমন এক মারাত্মক কেমিক্যাল ছিল যা তার ভোকাল কর্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। যদিও এখনো নিশ্চিতভাবে বলা হচ্ছে না, উজি আর কোনওদিন কথা বলতে পারবে কি না। কিন্তু এই ঘটনাই গল্পে নিয়ে এসেছে সবচেয়ে বড় ধাক্কা।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এই ঘটনার পরই শুরু হয় আসল নাটক। মেসো যে ফোনটা ফেলে গিয়েছিল, সেটাই হয়ে ওঠে পুরো খেলাটা ঘোরানোর অস্ত্র। সেই ফোনের তথ্য দেখে জিৎ বসু সন্দেহ করে, এই পুরো ঘটনার পেছনে নিশার হাত রয়েছে। শুধু তাই নয়, সে সেই তথ্য দেখিয়ে দেয় ঋষিকেও।
এরপর পরিস্থিতি একেবারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। উজিকে প্রাণের থেকেও বেশি ভালোবাসা ঋষি এই খবর শুনে নিজেকে সামলাতে পারে না। সে সরাসরি নিশার ওপর ক্ষেপে ওঠে। অন্যদিকে নিশা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে কিছুই করেনি, কিন্তু ঋষি তার কোনও কথাই বিশ্বাস করতে চায় না।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছে যায়, যেখানে দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা পুরো ভেঙে পড়ে। ঋষি রাগের মাথায় নিশাকে চ্যালেঞ্জ করে বলে, সে আর কোনওদিন তার বোনকে দেখতে পাবে না। উত্তরে নিশাও পিছিয়ে থাকে না। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, যদি তার থেকে তার বোনকে দূরে সরানো হয়, তাহলে সে কাউকেই শান্তিতে থাকতে দেবে না।
এখানেই স্পষ্ট হয়ে যায়, একটা ভুল বোঝাবুঝি কীভাবে বড় সংঘাতে পরিণত হলো। জিৎ কোনও কিছু নিশ্চিত না করেই অর্ধেক তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টা ঋষির সামনে তুলে ধরে, আর সেটাই আগুনে ঘি ঢেলে দেয়।
আর এই পুরো খেলায় আসল জয়টা কার? নিঃসন্দেহে মেসোর। সে শুধু উজিকে আঘাত করেই থেমে থাকেনি, বরং দুই বোনের মধ্যে ফাটল ধরিয়েছে এবং একই সঙ্গে ঋষি ও নিশাকেও একে অপরের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সব মিলিয়ে এখন গল্প এমন জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে সম্পর্কগুলো ভেঙে যাচ্ছে একে একে। এখন দেখার, সত্যিটা সামনে আসবে কীভাবে? আর উজি কি আবার নিজের স্বর ফিরে পাবে? গল্প কোন দিকে মোড় নেবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।




