জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “জোয়ার ভাঁটা” সিরিয়ালের গতকালের এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম মাথা ঘোরানো একটি টুইস্ট। আসলে এতদিন ধরে আমরা ভেবেই চলেছিলাম নিশা ও উজির কে এমন গোপন শত্রু রয়েছে, যে এইভাবে ঋষিকে ছবিটা পাঠিয়েছে.? 🤔 সেই শত্রুর নাম আমরা অবশেষে জানতে পারলাম.! 😱 যদিও পুরোপুরি ভাবে তার চেহারা দেখানো হয়নি বা তার নাম বলা হয়নি.! কিন্তু দর্শকের বুঝতে বাকি রইলো না, যে ওই লোকটা আর কেউ নয়, ওই লোকটা হচ্ছে স্বয়ং ভানু.! 👀
আরও ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে ভানু কিন্তু ওই ছবিটা উজির ঘর থেকে চুরি করে নিয়ে গিয়ে জিৎ বসুর বাড়ির দরজার সামনে রেখে দেয়.! ফলে জিৎ বসু খুব সহজেই সেই ছবিটা পেয়ে যায় এবং সে এসে হাজির হয় ব্যানার্জি বাড়িতে। 😱
আর এরপর সেখানে সমস্তটা সবার সামনে চলে আসে। জিৎ বসু জানিয়ে দেয় হরিপ্রসাদ বাবুর সাথে আসলে কি কি হয়েছিল.! 👀 প্রথমত সেখানে সবাই জানতে পারে বিতান হরিপ্রসাদ বাবুরই ছেলে.! তারপরে সবাই এটাও জানতে পারে, যে হরিপ্রসাদ বাবু টাকাটা পায়নি.! ফলে ওনার বড় মেয়ের বিয়েটা ভেঙ্গে যায় এবং উনি সেই বিয়ের মন্ডপেই হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। 😥
স্বাভাবিকভাবেই সেটা শোনার পর চমকে যায় ঋষি সহ বাড়ির প্রায় প্রত্যেকে.! ঋষি তখন মেসো ও শঙ্খকে প্রশ্ন করা শুরু করলে ঐশী আবার তাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। তবে দেখে তো মনে হল নিশা এবার বুঝতে পেরেছে, যে ঋষি তার বাবার মৃত্যুর পিছনে জড়িত নয়.! 👍 তবে যদি নিশা এখনো ঋষির পেছনেই পড়ে থাকে, তাহলে জাস্ট আর কিছু বলার নেই.! 👀
তবে এমন একটা ইমোশনাল সিচুয়েশনে পড়ে নিশা ও উজি তো একটা সময় প্রায় ধরা পড়েই যাচ্ছিল.! কিন্তু শেষমেশ কোনমতে নিজেদেরকে তারা কন্ট্রোল করেছে। 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, সমস্ত সত্যটা জানার পরে ঋষি এতটাই ভেঙ্গে পড়ে, যে সে নিজেকে একটা ঘরে বন্ধ করে নেয় এবং একটি ছুরি নিয়ে সে নিজেকেই আঘাত করার চেষ্টা করে.! 👀 স্বাভাবিকভাবেই সবাই ভয় পেয়ে যায়। 😥
So এবার তাহলে দেখাই যাক, ঋষি এই অবস্থা থেকে কি করে বের হয়.? 🤔 আর সে এরপরেও মেসো ও শঙ্খকে অন্ধের মত বিশ্বাস করে কিনা.? 🤔 তাছাড়া এবার এটাও দেখার, নিশার পরবর্তী পদক্ষেপই বা কি হয়.? 🤔 আর সব থেকে বড় কথা, ভানুর এইরকমটা করার পেছনে আসল কারণই বা কি.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




