জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলির মধ্যে অন্যতম একটি জনপ্রিয় সিরিয়াল হচ্ছে “চিরদিনই তুমি যে আমার”। সম্প্রতি এই সিরিয়ালেই আমরা দেখেছিলাম, যে নকল রাজনন্দিনীর সাথে DNA ম্যাচ করে যায় রাজলক্ষ্মী দেবীর। স্বাভাবিকভাবেই এরপর থেকে রাজলক্ষ্মী দেবী রাজনন্দিনীকে মাথায় করে রাখতে শুরু করে। আর যেই অপর্ণাকে এতদিন রাজনন্দিনী বলে মাথায় করে রেখেছিল, সেই অপর্ণাকেই এক ঝটকায় মাটিতে আছড়ে ফেলে রাজলক্ষ্মী দেবী।
শুধু তাই নয়, DNA পরীক্ষার রেজাল্ট ম্যাচ করে যাওয়ায় নকল রাজনন্দিনীও নিজের আসল রূপ দেখানো শুরু করে। সে প্রথমে চেষ্টা করে আর্যকে অপর্ণার থেকে আলাদা করতে.! কিন্তু যখন সে তার সেই লক্ষ্যে সফল হতে পারে না, তখন সে কোম্পানির দিকে হাত বাড়ায়। যেই মেয়ে অসুস্থ হওয়ার কারণে সমস্ত কিছু ভুলে গিয়েছিল, হঠাৎ করেই তার সমস্ত কিছু মনে পড়ে যায় এবং রেডি হয়ে হাজির হয় অফিসে। কিন্তু অন্ধ রাজলক্ষ্মী দেবীর সেসব চোখেই পড়ে না।
কিন্তু রাজলক্ষ্মী দেবী অন্ধ হয়ে গেলেও অর্ক কিন্তু ঠিকই বুঝতে পারে, যে এই মহিলা তার দিদি রাজনন্দিনী নয়। আর সে প্রমাণসহ সেই কথাটা আর্য এবং অপর্ণাকে জানায়। কিন্তু আর্য পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়, তাদেরকে এমন কোন প্রমাণ জোগাড় করতে হবে, যেটা DNA রিপোর্ট কেউ চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, অবশেষে অপর্ণা পেয়ে যায় সেই প্রমাণ.! অপর্ণা বুঝতে পারে, যে রাজনন্দিনী যেগুলো করছে বা যেই তথ্যগুলো সবার সামনে পেশ করার চেষ্টা করছে, সেগুলো তো রোহিনীও জানত। সুতরাং রোহিনী জানা মানে, সেগুলো এই নকল রাজনন্দিনীর পক্ষে জানা কোনভাবেই অসম্ভব নয়। এরপরেই অপর্নার মাথায় আইডিয়া আসে এবং সে অফিস থেকে রাজনন্দিনীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট খোঁজা শুরু করে দেয়। আর অবশেষে আমরা দেখতে পাই অপর্না পেয়ে যায় রাজনন্দিনীর আসল ফিঙ্গারপ্রিন্ট। 😱
So এখন শুধু এটাই দেখার, রাজনন্দিনীর আসল ফিঙ্গারপ্রিন্টের সাথে নকল রাজনন্দিনীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ করে অপর্ণা আসল সত্যিটা সবার সামনে আনতে পারে.? নাকি যেভাবে ওই নকল রাজনন্দিনী DNA রিপোর্ট পাল্টে দিয়েছিল, সেইভাবে এখানেও কিছু কারসাজি করে দেয়.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




