জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে গতকালের এপিসোডে ঘটে গেল একসাথে অনেকগুলি ঘটনা। সবার প্রথমে আমরা দেখলাম সংযুক্তার জেল যাত্রা। হ্যাঁ সংযুক্তাকে বসু বাড়ি সবাই মিলে তুলে দিল পুলিশের হাতে। 👍
কিন্তু এরপরেই দেখলাম কলেজের ভূত মাথায় চেপে বসা টগর বেরিয়ে পড়লো কলেজের উদ্দেশ্যে। আর ইন্টারেস্টিংলি বসু বাড়ির কেউ কিন্তু টগরকে সেই ভাবে পাত্তা দিল না। আর সেই সুযোগটাই কিন্তু নিয়ে নিল আবারও শিরিন। প্রথমে তাকে শহুরে স্টাইলের মডার্ন সোসাইটির সাথে পাল্লা দিয়ে একটি শর্ট ড্রেস উপহার দিল.! তারপর তাকে বুদ্ধি দিল, সে যেন সমস্ত কিছুতে হ্যাঁ করে.! সে যতই বাজে কাজ হোক না কেন, টগরকে সেই সমস্ত কিছু করতে হবে লাইফটাকে ইনজয় করার জন্য। টগরও কোনো কিছু না ভেবে শিরিনের হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মিলিয়ে দিল। অন্যদিকে শিরিন টগরকে বদনাম করতে বসু বাড়ির স্বর্ণময়ী জুয়েলার্সের প্রতিপক্ষ চন্দ্রাবতী জুয়েলার্সের ছেলেকে টগরের পেছনে লেলিয়ে দিল। 👀
এদিকে অফিসে আমরা দেখতে পেলাম, সংযুক্তাকে সাহায্য করার অপরাধে শিরিনকে পিওর লাইফ থেকে বহিষ্কার করা হলো। আর পারুল্যের হলো প্রমোশন। পারুল হয়ে গেল পিওর লাইফের নতুন সিনিয়র ম্যানেজার। 😱 এবার থেকে রায়ান পারুলের আন্ডারে কাজ করবে। 👍
কিন্তু এখানে আজকে একটা খুব সুন্দর, মানে দুর্দান্ত ঘটনা ঘটলো। রায়ানের প্রতিজ্ঞার পরবর্তীতে আমরা আজকে প্রথমবার দেখলাম পারুলের সফলতায় একটুও হিংসা হলনা রায়ানের। উল্টে সে আজকে বেজায় খুশি হল। এমনকি সে পারুলের অনারে পার্টি থ্রো করল বসু বাড়িতে। 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি হয়ে গেলেও টগর বাড়ি না ফেরায় তাকে খুঁজতে তার কলেজে হাজির হয় পারুল ও রায়ান। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাই শিরিনের কথামতো ওই চন্দ্রাবতী জুয়েলার্সের ছেলেটি টগরকে পার্টিতে নিয়ে যায় এবং তাকে ড্রিঙ্ক করায়। সাথে আমরা শিরিনকে এটাও বলতে শুনি, ওই ছেলেটি যেন আজকে টগরকে নষ্ট করে দেয়.! তার হাল এমন করে, যেন টগর আর কাউকে তার মুখ দেখাতে না পারে.! 😱
So এখন শুধু এটাই দেখার টগরের কোন বড় ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আগে পারুল তাকে উদ্ধার করতে পারে কিনা.? আর এর পেছনে যে শিরিনই রয়েছে, সেটা জানতে পারে কিনা.? তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋



