১৩ই এপ্রিল থেকে জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “চিরদিনই তুমি যে আমার” নতুন স্লটে সম্প্রচারিত হতে চলেছে। এতদিন সন্ধ্যে ৬টা ৩০ মিনিটে দেখা গেলেও, এবার থেকে ধারাবাহিকটি সরিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে বিকেল সন্ধ্যে ৫টা ৩০ মিনিটে। এই পরিবর্তনকে ঘিরেই প্রকাশ্যে এসেছে একটি নতুন প্রোমো, আর সেখানেই মিলেছে বড় চমক।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!নতুন প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, অপর্ণার দেওয়া সময়ের আগেই তাকে খুঁজে বের করতে সফল হয়েছে আর্য। ঠিকানা জোগাড় করে সে পৌঁছে যায় সেই গ্রামে, যেখানে অপর্ণা এখন শিক্ষকতা করছে।
গ্রামের পরিবেশে অপর্ণাকে দেখা যায় বেশ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে। বাচ্চাদের সঙ্গে খেলাধুলা করছে সে, তাদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে। সম্ভবত এগুলো তার স্কুলেরই ছাত্রছাত্রী। তার পাশে রয়েছে ডাক্তার ঋজুও, যে এই পুরো ট্র্যাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
ঠিক সেই সময়েই গাড়ি নিয়ে সেখানে হাজির হয় আর্য। বহুদিন পর অপর্ণাকে দেখতে পেয়ে তার মুখে স্পষ্ট আনন্দ আর উত্তেজনা ফুটে ওঠে। গাড়ি থেকে নেমে সে দ্রুত অপর্ণার দিকে এগিয়ে যায়। অন্যদিকে অপর্ণাও যেন অনুভব করতে পারে আর্যের উপস্থিতি। তার মুখেও ফুটে ওঠে খুশির ছাপ।
কিন্তু এই খুশির মুহূর্ত বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। কারণ ঠিক তখনই সামনে এসে দাঁড়ান অপর্ণার বাবা সতীনাথ বাবু। তিনি আর্যকে থামিয়ে দেন এবং সরাসরি বলেন, তার মেয়ের জীবনে যত সমস্যাই হয়েছে, তার জন্য দায়ী আর্য। তাই তিনি যদি সত্যিই অপর্ণার ভাল চান, তাহলে যেন তিনি তার সামনে না যান।
এই কথাগুলো শুনে একেবারে ভেঙে পড়ে আর্য। এতদিনের খোঁজ আর অপেক্ষার পর যখন সে অপর্ণার সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেল, ঠিক তখনই তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়।
তাই এই মুহূর্তে একটা প্রশ্নই ঘুরে ফিরে আসছে.? আর্য কি সতীনাথ বাবুর কথা মেনে আবারও অপর্ণার কাছ থেকে সরে যাবে, নাকি এবার সে নিজের ভালবাসার জন্য দাঁড়াবে এবং অপর্ণাকে জানাবে যে সে তার দেওয়া সময়ের মধ্যেই তাকে খুঁজে পেয়েছে। আগামী পর্বগুলিতে এই প্রশ্নের উত্তরই জানতে আগ্রহী দর্শকরা।



