জি বাংলার “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালের সাম্প্রতিক পর্বে ঘটে গেল একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা। 💔
ভালোবাসার কথা জানাতে গিয়ে আর্যের কাছে রিজেক্ট হওয়ার পর সোজা অপুদের বাড়িতে চলে আসে মীরা.! 👀 এরপর অপু যখন আর্যর সাথে কথা বলার পর বাড়ি ফেরে, তখন সে মীরাকে তাদের বাড়িতে দেখে চমকে যায়। 😱 এদিকে অপু বাড়িতে ফিরতে না ফিরতেই তার বাবা-মায়ের সামনেই তাকে জঘন্যভাবে অপমান করতে থাকে মীরা.! 👀 আর্য অপর্ণাকে অন্যরকমভাবে পছন্দ করে বলেই যে অপর্ণার আজকে এত উন্নতি, এগুলো অবধি বলতে থাকে মীরা। শুধু তাই নয়, অপর্ণা যে শুধুমাত্র বসকে খুশি করার জন্য তার সাথে আলাদা করে ডিনার করে, সেটাও জানিয়ে দেয় মীরা.!👀
কিন্তু ইন্টারেস্টিংলি অপর্ণা এই সমস্ত কথার একটাও প্রতিবাদ তো করেই না, এমনকি সে মীরাকে তার সীমাটা অবধি বুঝিয়ে দেয় না। সে শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মীরার করা সমস্ত অপমান হজম করতে থাকে। 🥹
মীরার করা এই অপমানের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভেঙ্গে পড়ে অপর্নার বাবা-মা। অপর্নার বাবা সতীনাথ বাবু তার মেয়ের কাছে এই সমস্ত অপমানের জবাব চায়। কিন্তু অপর্ণা কোন কিছুই বলে না, জাস্ট চুপ করে থাকে। 🥹 কিন্তু সতীনাথ বাবু তাতে কিছুতেই শান্ত হয় না.! তিনি অপর্ণাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অপর্ণা আর ওই অফিসে চাকরি করবে না। আর অপর্ণা যদি তার কথা না শুনে ওই অফিসে আবার যায়, তাহলে অপর্ণা তার বাবার মরা মুখ দেখবে.! 😱
So অপর্ণা কি তাহলে তার বাবার কথা শুনে সত্যি সত্যিই আর অফিসে যাবে না.? 🤔 কিন্তু অপর্ণা যদি অফিসে না যায়, তাহলে তার ঐ ৭ দিনের চ্যালেঞ্জটা তো অসম্পূর্ণ থেকে যাবে.! আর কোথাও না কোথাও এর ফলে মীরা তো জিতেই যাবে.! একচুয়ালি মীরা তো এটাই চায়, যাতে অপর্ণা হেরে যায়.! 🥹




