স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলোর মধ্যে “চিরসখা” হচ্ছে অন্যতম। যবে থেকে এই সিরিয়ালটা শুরু হয়েছে, তবে থেকেই আলোচনার শীর্ষে রয়েছে এটি.!
সম্প্রতি এই সিরিয়ালে দেখা গেল…ছবি তুলতে গিয়ে ঝড় বৃষ্টির কারণে নতুন ও কমলিনী বাড়ি না ফিরতে পেরে একটা রিসর্টে আশ্রয় নেয়.! আর যেহেতু এই মুহূর্তে চন্দ্র এবং কমলিনীর ডিভোর্সের কেস চলছে, তাই চন্দ্র এই সুযোগটাকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। সে পুলিশে কমলিনীর নামে মিসিং অভিযোগ দায়ের করে.! ফলে পুলিশ রাতারাতি ওই রিসর্ট থেকে কমলিনী এবং নতুনকে ধরে নিয়ে আসে। 👀
আর তারপর যখন তাদেরকে কমলিনীর বাড়ি “অধরা মাধুরী”তে নিয়ে আসা হয়, তখন শুরু হয়ে যায় কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ। 😜 কমলিনীর বিপক্ষীয় পার্টি মানে বুবলাই, বর্ষা, চন্দ্র এবং লক্ষ্মীদেবী ক্ষুদার্থ শেয়ালের মতো হামলে পড়ে কমলিনীর ওপর। তাকে পরপুরুষের সাথে রাত কাটানোর জন্য জঘন্যভাবে অপমান করতে থাকে। কিন্তু কমলিনী এবং নতুন যখন তাদের আটকে পড়ার আসল কারণটা বলে, তখন তাদের পক্ষের লোকেেরা সহজেই তা বিশ্বাস করে নেয়।কিন্তু লক্ষ্মীদেবীর আক্রমণের তেজ বাড়তেই থাকে। ফলে একটা সময় পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায়, নতুন বলতে বাধ্য হয়, যদি কমলিনী রাজি থাকে, যদি সে চায়, তাহলে নতুন তার হাত ধরতে রাজি.! সাথে নতুন এটাও বলে, কিন্তু কমলিনী এটা চায়না.! সে চন্দ্রকে উদ্দেশ্য করে বলে, কমলিনী শুধু তোর থেকে মুক্তি পেতে চায়। স্বাভাবিকভাবেই নতুনের মুখ থেকে এই কথা শুনে চমকে যায় বিরোধীপক্ষের সবাই। 😜
তবে নতুন এখানেই থেমে থাকে না, লক্ষ্মী দেবীকে মনে করিয়ে দেয়, কিভাবে তার বিপদে সে পাশে থেকেছিলো। সাথে কমলিনীও তার শাশুড়িকে মনে করিয়ে দেয়, যে নতুনের কারণে কিভাবে সে পায়ের ওপর পা দুলিয়ে জীবনটা কাটিয়েছে.! কিন্তু লক্ষ্মী দেবী তো পাগলা হাতি, তাই সে কোন কথা গায়েই মাখে না.! ফলে কমলিনী তখন বলতে বাধ্য হয়, সে যদি চায় তাকেও ওই বাড়ি থেকে বের করে দিতে পারে। কমলিনীর এই কথাটা তখন ঠিকই গায়ে লেগে যায়। 😜
So এবার দেখাই যাক, এত কিছুর পরেও ঐ লক্ষ্মী দেবী ও তার দলবল আদৌ শুধরোয় কি-না.? 🤔




