বাজোরিয়া যিনি একজন শিল্পপতি এবং যিনি রাজমহলের জমিতে একটি ফ্যাক্টরি গড়বেন বলে ছোট রানীর সাথে চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু ফুলকি যখন জানতে পারে ওই ফ্যাক্টরিটা হলে মানুষের ক্ষতি হবে, তখন ফুলকি তার প্রতিরোধ করে।
জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলোর মধ্যে “ফুলকি” অন্যতম। সম্প্রতি এই সিরিয়ালেই ঘটে গেছে এমন একটি ঘটনা, যার ফলে মিথ্যে খুনের দায়ে ফেঁসে গেছে ফুলকি। 😱
সম্প্রতি আমরা দেখতে পেয়েছি ছোট রানীর যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণার পর রুদ্ররূপ সান্যাল ছোট রানীর পার্টির সাথে যোগাযোগ করে। আর তারপর প্ল্যান অনুযায়ী সে রাজমহলেরই এক স্কুল মাস্টার অভিরূপ সামন্তর ছদ্মবেশে ফুলকির সামনে আসে। অভিরূপ সামন্ত পেশায় রাজমহলের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন.! যিনি সবসময় ছোট রানীর অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠতেন.! যার কারনেই ছোট রানী তাকে পাঁচ বছর আগে গায়েব করে দেয়। 😱
তো ফুলকি যখন রাজমহলের স্কুলের এক ছাত্রর অভিযোগ পেয়ে সেখানকার মিড ডে মিল ব্যবস্থা দেখতে যায় এবং সেখানকার ছাত্র-ছাত্রীদের নিজেরাই খাবার পরিবেশন করে, সেই সময়ই ফুলকির হাতের একটি কাঁচের চুড়ি ভেঙ্গে পড়ে যায়.! আর স্বাভাবিকভাবেই অভিরূপ রূপী রুদ্ররূপ সান্যাল সেটি দেখতে পেয়ে যায় এবং নিজের কাছে রেখে দেয়। 👀
এরপর আমরা দেখতে পাই বাজোরিয়া নামক একজন ব্যবসায়ী ছোট রানীর সাথে চুক্তি অনুযায়ী রাজমহলের জমিতে তার কেমিক্যাল ফ্যাক্টরির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে আসে.! কিন্তু যেহেতু ওই ফ্যাক্টরি শুরু হলে রাজমহলের মানুষের ক্ষতি হবে, তাই ফুলকি সেটা জানা মাত্রই একা ওই বাজোরিয়ার কাছে চলে যায়। যেখানে ফুলকি ওই বাজোরিয়াকে হুমকি দেয় এবং চুক্তি বাতিল করার কথা বলে। বাজুরিয়া প্রথমে মানতে না চাইলে ফুলকি তাকে ঘুসি মারার হুমকি দেয়.! এরপরই ফুলকি সেখান থেকে চলে যায়।👍
কিন্তু কিছুক্ষণ পর বাজোরিয়ার লোকজন এসে দেখে বাজোরিয়া মৃত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে রয়েছে। আর তার পাশে পড়ে রয়েছে ফুলকির সেই কাচের চুড়ির টুকরো দুটো। 👀
So এখান থেকে তো একটা জিনিস পরিষ্কার, যে রুদ্রই ওই বাজোরিয়াকে খুন করেছে এবং যেখানে ফুলকির ভাঙ্গা চুড়ির টুকরো রেখে ফুলকিকেই ফাঁসাতে চাইছে.! 😱 কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে এই সমস্ত ব্যাপারে ফুলকি বা রোহিত কেউ কিন্তু কিছুই জানে না.! 👀🥹




