জি বাংলার “ফুলকি” সিরিয়ালের সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম, সনাতনের স্ত্রী সর্বানীর সাহায্যে ফুলকি হাতে পেয়ে যায় সনাতনের লেখা একটা ডায়েরী.! যেখানে সনাতন সমস্ত কিছু ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ করে গেছে। মানে ছোট রানী কিভাবে তাকে টাকা দিয়ে বড় রাজার সন্তানকে মারতে বলেছিল.! আর কিভাবে সে মনুষ্যত্বের খাতরি সেই কাজটা করতে পারেনি ইত্যাদি ইত্যাদি.! 😱
ফলে সেই প্রমাণ ও সনাতনের বউকে সাথে নিয়ে ফুলকি সোজা চলে যায় স্বাগতা ম্যাডামের কাছে। আর এই দিনেই গল্পে আবারো প্রত্যাবর্তন করে অংশুমান সেনগুপ্ত। তবে অংশুমান কিন্তু শুধুমাত্র আর সেই সাব ইন্সপেক্টর নয়, সে এখন একজন এডিশনাল এস.পি। 😱
তো এরপরেই পুলিশ বিশাল বাহিনী নিয়ে হাজির হয় রাজমহলে। কিন্তু রুদ্ররূপ সান্যাল সেই খবর ছোট রানীকে দিয়ে দেওয়ায়, ছোট রাণী রাজমহল থেকে আগেই পালিয়ে যায়। ফলে পুলিশ গোটা রাজমহলে তন্নতন্ন করে খোঁজাখুঁজি করলেও, খুঁজে পায়না ছোট রাণীকে। 👀
যদিও ফুলকি ভালো মতোই বুঝতে পেরে যায়, যে ছোট রানী নিশ্চয়ই রাজমহলের কোন গুপ্ত সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়েছে। সেই মতো ফুলকিও ছোট রানীকে সুড়ঙ্গের মধ্যেই ধাওয়া করে। তারফলে সে ঠিকই ধরে ফেলে ছোট রানীকে। 😱 তবে ছোট রানী কিছুতেই হার মানতে চায় না.! সে একটা তলোয়ার নিয়ে ফুলকির দিকে ধাওয়া বলে। ফুলকিও তো ছাড়বার পাত্রী নয়, তাই সেও তার বক্সিং করার পোজে দাঁড়িয়ে যায়.! 👀 এরপর দুজনের মধ্যে শুরু হয় বক্সিং vs ফেন্সিংয়ের লড়াই.! কিন্তু শেষমেষ ফুলকির বক্সিং এর কাছে হার মানতে হয় ছোট রানীর ফেন্সিংকে.! 😱
আর স্বাভাবিকভাবেই এর পর ছোট রানীকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ফুলকি। 👍




