জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালে গতকাল হয়ে গেল একটি ঐতিহাসিক এপিসোড.! গতকালের এই এপিসোডটি ছিল ১ ঘন্টার মহাপর্বের একটি এপিসোড। আর সত্যি বলতে কি, মহাপর্বটা একদম মহাপর্বের মতোই হলো। এই এক ঘন্টার এপিসোডে এমন কিছু মুহূর্ত ছিল, যেগুলো দেখলে গায়ের লোম দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য। 🔥
এপিসোডের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই কুন্তল দিতিকে মারার জন্য যেই সাপটি তার ঘরে ছেড়ে দেয়, সেই সাপটি গোরাকেই দংশন করে। 😱 এরপরে পরিস্থিতি এমন দিকে গড়ায়, যে গোরাকে হাসপাতালে নিজেই গাড়ি চালিয়ে নিয়ে যায় দিতি। অবশ্য এই নিয়ে বাড়ির মধ্যে একটা প্রশ্ন ওঠে, যে রূপ গাড়ি চালাতে পারত না। তাহলে এই মেয়েকে রূপ নয়, দিতি.? কিন্তু সেই মুহূর্তে পরিস্থিতি এমন ছিল যে, এই বিষয়ে আর কেউ ততটা কর্ণপাত করেনি।
এরপরে হাসপাতালে গোরার চিকিৎসা শুরু হয়ে গেলেও তার অবস্থার ক্রমশ অবনতি হতে থাকে। তখনই ঘটে আবারও সেই অলৌকিক কান্ড। এবার দিতি দেখতে পায় সেই তিনজন সাধু বাবাকে যারা বারবার গোরাকে দেখা দেয়। তারা দিতিকে বলে সে যেন মহাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা করে। ফলে দিতি আর দেরি না করে বাড়িতে ছুটে যায় প্রার্থনা করতে মহাপ্রভুর কাছে। আর সেখানেও ঘটে আবার একটি অলৌকিক কান্ড। আমরা দেখতে পাই দিতির সাথে হাতে হাত দিয়ে প্রার্থনা করছে রূপও। কিন্তু দিতি আবারো তাকে অদ্বিতীয়া ভেবে ভুল করে। 👀 কিন্তু এরপরই আমরা দেখতে পাই গোরা এক্কেবারে সুস্থ হয়ে ওঠে।
এরপর গোরার যখন জ্ঞান ফিরে তখন দিতি সমস্তটা গোরাকে জানায়। গোরা বুঝতে পারে যে, রূপ আবারো তাকে বাঁচাতে এসেছিল। দিতির ঐ রূপের আশার ব্যাপারটা নিয়ে সন্দেহ হলেও, সে কিন্তু এই নিয়ে আর গোরাকে বেশি প্রশ্ন করে না। 👍
পরদিনই আমরা দেখতে পাই গোরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে। আর যেই দিতি জীবনে কখনো মহাপ্রভুকে বিশ্বাস করত না, সেই কিনা মহাপ্রভুর কাছে প্রার্থনা করছে। স্বাভাবিকভাবেই সেটা দেখে খুশি হয় বাড়ির সবাই। 😱
কিন্তু এরই মাঝে একটি ইন্টারেস্টিং ঘটনা কিন্তু রয়েছে। সাপটি যখন দিতিকে দংশন করার পরিবর্তে গোরাকে দংশন করে, তখন ভয় পেয়ে নার্ভ ফেল করে কুন্তল। আর সেই জিনিসটা কিন্তু দিতির নজর এড়ায় না। 👀
So এখন শুধু এটাই দেখার, দিতির মহাপ্রভুর প্রতি এই ভক্তির ফলে গোরার মায়ের মন তার প্রতি একটু নরম হয় কিনা.? 🤔 আর দিতি এটা খুঁজে বের করতে পারে কিনা, যে ওই সাপটিকে আসলে তাকে মারতে কুন্তলই নিয়ে এসেছিল.? 🤔




