জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে গতকাল হয়ে গেল আবারও একটি ধুন্ধুমার এপিসোড। সাম্প্রতিক এপিসোডি আমরা দেখেছিলাম রায়ান ও পারুলের কেসটা আদালতে উঠলে (যদিও আমরা সবাই জানি ওটা পুরোটাই ছিল একটা নাটক) আদালত তাদেরকে আদেশ দেয়, যে তাদেরকে সবার আগে ৬ মাস একসাথে সংসার করতে হবে। আর তারা ঠিকঠাকভাবে সংসার করছে কিনা, সেটা দেখার জন্য একজন উকিলকে নিয়োগ করা হবে। আর তাদের এই ছয় মাসের দাম্পত্য শুরু করতে হবে ফুলশয্যা দিয়ে। 😱
সেই মতোই আমরা দেখতে পেয়েছিলাম ফুলশয্যার রাতে বসু বাড়িতে উপস্থিত হয়ে যায় সেই উকিল। (যদিও আমরা এই মুহূর্তে জানিনা ঐ উকিলের পেশা আসলে কি.?) এরপর সবাই মিলে রায়ান ও পারুলকে একসাথে ফুলশয্যার ঘরে পাঠিয়ে দেয়। অবশ্য তার আগে রায়ানের মা তার ছেলের ও পারুলের ফুলশয্যা ভন্ডুল করতে পারুলকে পানের মধ্যে নেশা জাতীয় কিছু খাইয়ে দেয়। 👀 স্বাভাবিক ভাবেই কিছুক্ষণ পরেই মাথা ঘুরে জ্ঞান হারায় পারুল। রায়ানের চিৎকারে বাড়ির সবাই ছুটে যায় সেখানে। তারা চোখে মুখে জল ছিটিয়ে পারুলের জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করে। পারুলের জ্ঞান ফিরে আসলেও তার নেশা কিন্তু কোনোভাবেই কাটেনা।
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, পারুল বুঝতে পেরে যায় যে এই কাজটা রায়ানের মা-ই করেছে। ফলে সে সুযোগ পেয়েই রায়ানের মাকে সেই কথাটা বলে। কিন্তু রায়ানের মা উল্টে তাকে বলে, যে তার কাছে কি কোন প্রমাণ রয়েছে.? তখন পারুল বলে আমার কাছে প্রমাণ নেই ঠিকই.! কিন্তু একদিন না একদিন আপনার পাপের ঘড়া পূর্ণ হবেই। 👍 তারপরেই রায়ানের মায়ের লক্ষ্য পড়ে পারুলের পিঠের ওপর। যেটি ফুলশয্যার রাতে রায়ানের নখের আঁচড়ে কেটে গিয়েছিল। 👀 পারুল যখন সেটা বুঝতে পারে, তখন ঠারে ঠারে রায়ানের মাকে বুঝিয়ে দেয়, যে উনি যেটা আটকাতে পারুলকে নেশাযুক্ত পান খাইয়ে দিয়েছিলেন, সেটা তিনি আটকাতে পারেননি। পারুল আরো বলে, আপনার রাগ হচ্ছে বুঝি.? আমি আপনার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলাম তো আপনার ছেলেকে.! বেশ তো নিলাম, তো আপনি কি করবেন.? 😜 স্বাভাবিক ভাবেই পারুলের মুখ থেকে এইরকম কথা শুনে শুকিয়ে চুন হয়ে যায় রায়ানের মায়ের মুখ। 👀




