জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালে গতকালের এপিসোডে ঘটে গেল এমন একটি ঘটনা, যেটার জন্য কোনভাবেই তৈরি ছিল না দর্শকমহল। বিশেষ করে গোরার হাত থেকে দিতি সিঁদুর পরে নেওয়ার পর যে এমনটা ঘটতে পারে, সেটা সত্যিই কিন্তু মেনে নিতে পারছে না। কারণ আমরা দেখলাম ব্রজধামে বরণ করে দিতিকে তোলা হলেও, নিজের স্ত্রী হিসেবে দিতিকে মানতে অস্বীকার করল গোরা.! 😱
আসলে দিতির সাথে যখন গোরার বিয়েটা হয়ে যায়, তখন কাত্যায়নী দেবী যেমন চমকে যায়.! তেমনি চমকে যায় পুলস্ত্য এবং হিয়াও। অবশ্য গোরার মা কাত্যায়নী দেবী দিতির হঠাৎ সিঁদুর পরে নেওয়ার সিদ্ধান্তে সাময়িক চমকে গেলেও বৌমা হিসেবে তাকে কিন্তু বরণ করবে না বলেই পরিষ্কার জানিয়ে দেয়। তাই দাদুর কথামতো বাধ্য হয়ে দিতিকে বরণ করে ঘরে তোলে সেঁজুতি। আর তারপরে নিয়ম অনুসারে পালন হয় সমস্ত আচরণ অনুষ্ঠান। 🥰
কিন্তু তাল কাটে তখন, যখন গোরা দিতিকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, সে দিতিকে কখনো স্ত্রীর জায়গা দিতে পারবে না। কারণ তার মনে প্রাণে শুধুমাত্র রূপই জায়গা করে রয়েছে। গোরা দিতিকে শুধুমাত্র প্রাণে বাঁচানোর জন্যই এমনটা করেছে। এই বলে সমস্তটা দিতিকে খুলে বলে গোরা। কিন্তু দিতি গোরাকে বলে, সে তাকে ভালোবাসে। কিন্তু গোরা তাকে এইভাবে প্রত্যাখ্যান করায়, দিতি খুবই কষ্ট পায়। 💔
ওদিকে আবার আমরা দেখতে পাই যে পুলস্ত্য দিতির বাবাকে সমস্ত কিছু ফোন করে জানিয়ে দেয়। এদিকে দিতিও গোরাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়, যেহেতু সে তাকে স্ত্রী বলে মানেই না, তাই সে আর এই বাড়িতে থাকবে না। সে ফিরে যাবে তার বাবার সাথে। 😥
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে দিতিকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হাজির হয় দিতির বাবা। তখনই গোরা ওনাকে সমস্তটা খুলে বলে। সাথে গোরা উনাকে এটাও জানিয়ে দেয়, যে পুলস্ত্যই দিতিকে প্রাণে মারতে চায়.! সেই কারণেই কিন্তু গোরা দিতিকে তার কাছে রেখে দিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই গোরার মুখ থেকে পুলস্ত্যের ব্যাপারে এমন কথা শুনে চমকে যায় দিতির বাবা.! 😱
So এবার শুধু এটাই দেখার, গোরার বলা এই কথাগুলো শুনে দিতির বাবা কি অ্যাকশন নেয়.? আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, দিতি ও গোরার সম্পর্কটাই বা কোন দিকে মোড় নেয়.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, কি হতে চলেছে.? অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




