জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে আজকে এমন একটা ঘটনা সামনে এসেছে, যেটা দেখে দুইয়ে দুইয়ে চার করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে দর্শকেরা। মানে দর্শক বুঝতেই পারছে না, যে কি করে এটা হতে পারে.?
আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম, যে পারুল রায়ানকে একটা পরামর্শ দেয়.! পারুল রায়ানকে বলে, যে তুই কখনো কর্পোরেট ফিল্ডে আমার সাথে পেরে উঠবি না.! কারণ কর্পোরেট জবটা আমার ড্রিম জব। আমি ভবিষ্যতে এই কর্পোরেট দুনিয়াতে আমার নিজস্ব কোম্পানি খুলতে চাই। কিন্তু তোর এটা ড্রিম জব নয়, তুই চাস থিয়েটার করতে, ডিরেক্টর হতে। তাই তুই যদি আমাকে কম্পিটিশনে হারাতে চাস, তাহলে তুই তোর নিজের ফিল্ডে লড়াই কর।
স্বাভাবিকভাবেই রায়ান পারুলের কথামতো তার স্বপ্নের কথা দাদুকে জানায়। দাদু আর এবার তাকে নিরাশ করে না। তবে তিনি শর্ত দেন, যে রায়ান যেন বসু বাড়িতে থেকেই তার স্বপ্ন পূরণ করে। 👍 এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই আমরা প্রিক্যাপে দেখতে পাচ্ছি, যেই পিওর লাইফ থেকে শিরিনকে বিতাড়িত করা হয়েছিল.! সেখানেই সে ফিরে এসেছে কোম্পানির এক্কেবারে বস হয়ে। 😱
স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা পারুল থেকে শুরু করে রায়ান, অনিরুদ্ধ স্যার, মল্লার এবং কোম্পানির আরো অনেকে। তারা কেউই শিরিনের আন্ডারে কাজ করতে চায়না। ফলে তারা এক এক করে সবাই রেজিগনেশন দিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, এরপরে পারুল শিরিনকে চ্যালেঞ্জ করে বলে, যে এই পারুল চক্রবর্তী এবার নিজের স্বপ্ন পূরণ করবে। এই পারুল চক্রবর্তী এবার নিজের কোম্পানি খুলবে এবং সেই কোম্পানিকে উচ্চতার শিখরে নিয়ে যাবে। 😱
So বুঝতেই তো পারছো, দর্শকেরা ঠিক কেন দুইয়ে দুইয়ে চার করতে উঠে পড়ে লেগেছে.? কিছুদিন আগেই তো আমরা দেখেছিলাম, যেদিন পারুলের প্রমোশন হলো সেদিন শিরিনকে ওই কোম্পানি থেকে বিতাড়িত করা হয়.! সেই কারণে এখন প্রশ্ন উঠছে, এর মাঝে কি এমন হয়ে গেল, যে শিরিন একেবারে একজন বিতাড়িত এম্প্লয়ী থেকে বস হয়ে গেল.? তাহলে কি এর পিছনে শিরিনের মায়ের কোন ভূমিকা রয়েছে.? এর উত্তর তো অবশ্যই আজকের এপিসোডে আমরা জানতে পারবো.! কিন্তু তোমাদের কি মনে হচ্ছে, কি হতে পারে এর আসল কারণ.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




