রাজনন্দিনীর প্রত্যাবর্তনে ওলটপালট সব হিসেব! সে কি সত্যিই বেঁচে ছিল, নাকি শুরু হয়েছে নতুন কোনো চক্রান্ত—সত্যিটা সামনে আনতে পারবে তো আর্য ও অপর্ণা, নাকি ভেঙে যেতে চলেছে তাদের সম্পর্ক?

পুনরায় জমে উঠেছে জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক “চিরদিনই তুমি যে আমার”। সাম্প্রতিক এই ধারাবাহিকে এমন একটি নতুন টুইস্ট সামনে এসেছে, যেটি দেখার পরে ওলট পালট হয়ে গিয়েছে সমস্ত হিসেব। আসলে হঠাৎ করেই আমরা দেখতে পেয়েছি জীবিত হয়ে ফিরে এসেছে মৃত রাজনন্দিনী এবং তার মৃত বাবা অনিকেত সিংহ রায়। 😱

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম, যে রোহিণীকে যখন আদালতে তোলা হয়, সেদিনই তার গাড়িতে একটা ব্লাস্ট হয় এবং রোহিণীর সেখানেই মৃত্যু ঘটে। এই পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। সিংহরায় পরিবার যখন পুরো বিষয়টা জানতে পারে তখন তারা ঠিক করে, যেহেতু রোহিণী সিংহরায় পরিবারেরই রক্ত, তাই তারা তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করবে। 👍 তারপরেই আমরা দেখতে পাই অপর্ণা আর্যর জন্মদিনের কথা জানতে পেরে ধুমধাম সহকারে তার জন্মদিন পালনের ব্যবস্থা করে।

কিন্তু সেই জন্মদিনের দিনই হঠাৎই সবাইকে চমকে দিয়ে উদয় হয় অর্কর বাবা অনিকেত সিংহ রায়ের। শুধু তাই নয়, সাথে আবার তিনি নিয়ে আসেন মৃত রাজনন্দিনী সিংহ রায়কেও। 👀 স্বাভাবিকভাবেই একসাথে এতগুলো অবিশ্বাস্য ঘটনা দেখে চমকে যায় সবাই। তাছাড়া আমরা আবার জানতে পারি, যে রাজনন্দিনী নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন। আর হ্যাঁ, সেদিন নাকি রাজনন্দিনী মরেনি। তাছাড়া রাজনন্দিনীকে নাকি রোহিনীই মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু অনিকেত বাবু সেটা জানতে পারেন এবং তিনি রাজনন্দিনীকে বাঁচিয়ে নেন। শুধু তাই নয় শুধুমাত্র রাজনন্দিনীকে বাঁচানোর স্বার্থেই তিনি নাকি নিজের মৃত্যুর খবরটাকেও রটিয়ে দেন। 😱

আর তিনি এখন নাকি জানতে পেরেছেন, যে তার নিজের ব্লাড ক্যান্সার রয়েছে। তাছাড়া এখন যখন রোহিণীও মারা গেছে, তাই তিনি নিশ্চিন্ত হয়েছেন। আর সেই কারণেই তিনি চান রাজনন্দিনীকে নিজের পরিবারের হাতে তুলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে। স্বাভাবিকভাবেই অনিকেত বাবুর এই সমস্ত কথাগুলো বিশ্বাস করেনা রাজলক্ষ্মী দেবী থেকে শুরু করে আর্য বা বাকি কেউই। কিন্তু অর্ক আবার তার দিদিকে দেখে রাজনন্দিনী বলেই মেনে নেয়। অন্যদিকে রাজনন্দিনীও এমন সব কান্ড কারখানা করে, যেগুলো আসল রাজনন্দিনীর পক্ষেই করা সম্ভব। স্বাভাবিকভাবে সেগুলো দেখে রাজলক্ষ্মী দেবী গলে যেতে শুরু করে। আর্য উনাকে অনেক করে বোঝানোর চেষ্টা করেন, যে ওটা রাজনন্দিনী নয়.! কিন্তু মায়ের মন তো, তাই তিনি কি করবেন বুঝতে পারেন না।

এদিকে অপর্ণাও বুঝতে পারে না তার সাথে হচ্ছেটা কি.? কারণ সে যেই চেহারাটাকে এতদিন ধরে দেখে এসেছে, সে এখন তার সামনে জীবিত হয়ে চলে এসেছে.! সুতরাং তার মনে এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তার সাথে এতদিন ধরে যেগুলো ঘটেছে, সেগুলো কি তবে সবটাই মিথ্যে.?

So বুঝতেই তো পারছো, গল্পটা এই মুহূর্তে ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, যে রাজনন্দিনী ফিরে এসেছে, সে কি সত্যিই রাজনন্দিনী.? 🤔 নাকি এর পিছনে অন্য কোন খেলা রয়েছে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Leave a Comment

Latest Updates