জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “চিরদিনই তুমি যে আমার” ধারাবাহিকের একটা নতুন প্রোমো ড্রপ করা হয়েছে। অবশ্য এটাকে শুধু প্রোমো না বলে, মাথা গরম করা প্রোমো বলা বোধহয় ঠিক হবে.! 👀 মানে কি দেখলাম এটা, কি হচ্ছেটা কি.? 🤔
এই নতুন প্রোমো দেখে আমরা বুঝতে পারছি, যে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে রাজলক্ষ্মী দেবীরও অবশেষে ভীমরতি ধরে গেল.! মানে নিজের মৃত মেয়েকে ফিরে পাওয়ার নেশায় মত্ত হয়ে এমনই ভীমরতি ধরল ওই মহিলার, যে যাকে একদিন বরণ করে বাড়িতে নিয়ে এসেছিল, সেই অপর্ণাকেই কিনা বাড়ি থেকে বের করে দিল। অবশ্য শুধু বাড়ি থেকে বের করে দিল এই কথাটা বলা ভুল.! তাকে তার নকল মেয়ে এবং আর্যর জীবন থেকে বহু দূরে চলে যেতে বলল। 😥
রাজলক্ষী দেবীর কথা অমান্য না করে অবশ্যই অপর্ণা চলে তো গেল.! কিন্তু যাওয়ার আগে সে রাজলক্ষ্মী দেবীকে জানিয়ে গেল, যে আমার বিশ্বাস আর্য স্যার এবং আমাকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। আর এরপরই আমরা দেখতে পাই অপর্ণা বাড়ি থেকে যাওয়ার আগে একটা চিঠি লিখে গেছে আর্যকে। যেখানে লেখা রয়েছে, আমাদের ভালবাসা সত্যি হলে আপনি আমাকে নিজেই খুঁজে বের করে নিয়ে আসবেন.! 😱
স্বাভাবিকভাবেই সেই চিঠি পড়েই আর্য অপর্ণাকে খুঁজতে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু যখনই সে বাড়ি থেকে বেরোবে, তখনই ওই নকল রাজনন্দিনী তাকে আটকে দেয়। শুরু করে দেয় তার নাটক…যেতে দেব না, সখি আমি তোমায় যেতে দেব না.! আমার বুকের মাঝে রাখবো তোমায় ছেড়ে দেবোনা.! 😜
So এই প্রোমোটা থেকে তো পরিষ্কার বোঝাই যাচ্ছে, যে অপর্ণা রাজনন্দিনীর আসল ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেয়েও কিছু করতে পারেনি.! আর রাজনন্দিনীর ছায়া পুরোপুরি ভাবে রাজলক্ষ্মী দেবীকে গ্রাস করে নিয়েছে। এবার তাহলে দেখাই যাক, আর্য ঐ নকল রাজনন্দিনীর চঙ্গুল থেকে বেরিয়ে অপর্ণাকে খুঁজে আনতে পারে কিনা.? তোমাদের কি মনে হচ্ছে, আর্য কি সমস্ত বাধা পেরিয়ে পারবে অপর্ণাকে খুঁজে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 👍



