জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ”পরিণীতা” সিরিয়ালে গল্প এই মুহূর্তে এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যেখানে রায়ানকে তার ভালোবাসার কথা স্বীকার করতেই হবে.! কিন্তু যদি সে পারুলকে ভালোবাসার কথা স্বীকার না করে, তাহলে তাকে কিন্তু রায়ান সারা জীবনের জন্য হারাবে.!
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছি পরিতোষ বাবু রায়ানকে লাইনে আনতে এবার একটা মাস্টার প্ল্যান করে। তিনি তারই শিষ্য ঋককে হাজির করেন পারুলকে মিথ্যে বিয়ে করার জন্য। শুধু তাই নয়, উনি বাড়ির সমস্ত মেম্বারকে ওনার প্ল্যানে সামিল করে নেন। সেই মতো দাদু এমন ভাবে সমস্তটা সাজান, যাতে মনে হয় ওনার স্বর্ণময়ী জুয়েলার্স দেনার দায়ে একেবারে জর্জরিত হয়ে পড়েছে। আর সেটাকে বাঁচানোর একটাই মাত্র রাস্তা রয়েছে.! সেটা হল, ঋকের সাথে পারুলকে বিয়ে করতে হবে। কারণ ঋকের পারুলকে খুব পছন্দ হয়েছে। তাই পারুলের সাথে যদি তার বিয়ে হয় তাহলে তার বাবা স্বর্ণময়ী জুয়েলার্সে ১০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করবে।
স্বাভাবিকভাবেই এটা শোনার পরেই সরাসরি এই বিয়েতে মানা করে দেয় পারুল। তাছাড়া রায়ান তার মনে একটা সন্দেহ ঢুকিয়ে দেয়, যে তার দাদু এই সমস্তটা করছে তার কারণ, তিনি রায়ানের মুখ থেকে তার ভালোবাসার মানুষের কথাটা জানতে চান। এই কথা শোনার পর পারুল রায়ানের সাথে মিলে সমস্তটা যাচাই করার চেষ্টা করে.! কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আসল সত্যিটা আর উদ্ধার করতে পারে না।
তাছাড়া এরপর শুরু হয় পারুলকে বসু বাড়ির সকলের ইমোশনাল অত্যাচার। সবাই এমন ভাবে পারুলকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল করতে থাকে, যে পারুলের কাছে ঋককে বিয়ে করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। এমনকি পরিস্থিতি এমন দিকেই গড়ায়, যে রুকু এবং তার টিম পারুলের বাবা ভুবনেশ্বরকে পর্যন্ত ব্যবহার করে নেয়। 👀
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে শেষ পর্যন্ত ঋককে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায় পারুল। অবশ্য তার আগে সে ঋকের সাথে কথা বলে বিয়েটা আটকানোর চেষ্টা করে। সে বলে ঋক কেন ঐ ১০ কোটি টাকাটা এমনি এমনি তাদের স্বর্ণময়ী জুয়েলার্সে ইনভেস্ট করছে না.? ঋক বলে, সে পারুলকে ভালবাসে এবং তাকে তার জীবনে পেতে চায়.! তখন পারুল বলে, যে শুধুমাত্র রায়ানকেই ভালবাসে.! আর সারা জীবন সে রায়ানকেই ভালোবেসে যাবে। পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে ঋককে সে বিয়ে করবে ঠিকই, কিন্তু তাকে সে কখনোই ভালোবাসতে পারবে না।
এরপরই আমরা আবার দেখতে পাই, বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে জানতে পেরে ক্ষেপে যায় রায়ান.! সে ঋকের ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মাটিতে ফেলে উত্তম মধ্যম মারতে থাকে.! রায়ান ঋককে মারতে মারতে বলে, আমি তোকে আগেই বলেছিলাম, তুই পারুলের দিকে চোখ তুলেও তাকাবি না.! তোকে আজকে আমি ছাড়বো না। তোর আর আমার মধ্যে আজকের ডুয়েল হবে, ডুয়েল।
So এই সমস্ত কিছু দেখে তো বোঝাই যাচ্ছে, যে পরিতোষ বাবুর প্ল্যানটা এখনো পর্যন্ত ঠিকঠাকই কাজ করছে। এখন শুধু এটাই দেখার, তার ভালোবাসার কথাটা স্বীকার করতে রায়ান ঠিক আর কতটা সময় নেয়.?




