টলিপাড়ার ‘গৃহযুদ্ধ’ থামার নামই নেই! স্বর্গীয় অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ঘিরে জিতু কমলের ওপর পায়েল দে-র আক্রমণ যখন তুঙ্গে, তখনই আসরে নামলেন জনপ্রিয় সঞ্চালিকা সুদীপা চ্যাটার্জি। জিতুর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি পায়েল ও মৌসুমী ভট্টাচার্যকে যেভাবে আক্রমণ করলেন, তাতে টলিউডের ফাটল এখন আরও স্পষ্ট।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!“সামনাসামনি বলার সাহস নেই কেন?” পায়েলকে বিঁধলেন সুদীপা
সুদীপা চ্যাটার্জি সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন পায়েল দে-র বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, জিতু এবং পায়েল একই সিরিয়ালে কাজ করছেন, তবে কেন প্রকাশ্যে এভাবে কাদা ছোঁড়াছুড়ি? সুদীপার সাফ কথা— “পায়েল বোধহয় একই সেটে অভিনয় করেন। সামনাসামনি বলতে পারতেন না? ফোন নম্বর ছিল না নিশ্চয়ই?” সহকর্মীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে এভাবে জুতো ছোঁড়াছুড়ি করাকে অত্যন্ত হতাশাজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
মৌসুমী ভট্টাচার্যকে সুদীপার খোলা চ্যালেঞ্জ: “কোথায় সামনাসামনি দেখা করবেন বলুন?”
সবচেয়ে বড় আক্রমণটি ধেয়ে গেছে অভিনেত্রী মৌসুমী ভট্টাচার্যের দিকে। মৌসুমী বলেছিলেন জিতুকে সামনে পেলে তিনি ‘বুঝিয়ে দেবেন’। এর পাল্টায় সুদীপা চরম চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে লিখেছেন— “চলুন আপনাকে একটা সুযোগ দিচ্ছি। কবে, কোথায় আপনি জিতুকে ‘একা’ সামনাসামনি পেতে চান বলুন?” শুধু তাই নয়, সুদীপা প্রশ্ন তুলেছেন মৌসুমীর কাজের যোগ্যতা নিয়েও। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, মৌসুমীর মনে রাখার মতো ৫টি কাজ কি কেউ বলতে পারবেন?
এটাকে কি সত্যিই ‘ইন্ডাস্ট্রি’ বলা যায়?
ব্যাঙ্ক কর্মীদের উদাহরণ টেনে সুদীপা প্রশ্ন তুলেছেন আমাদের চলচ্চিত্র জগতের সংস্কৃতি নিয়ে। অন্য কোনো প্রফেশনে কি এভাবে কর্মীরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করেন? তবে কেন বিনোদন জগতকে ‘ইন্ডাস্ট্রি’ বলা হবে? সুদীপার মতে, জিতু একজন প্রমাণিত অভিনেতা এবং তার ভুল হয়ে থাকলে সেটা সামনাসামনি বলা যেত, কিন্তু এভাবে অপমানজনক আচরণ মেনে নেওয়া যায় না।
আর্টিস্ট ফোরামের প্রতি আর্জি
সুদীপা চ্যাটার্জি আর্টিস্ট ফোরামের পরিচালন কমিটির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন এই নোংরামি সামলানোর জন্য। তিনি বলেন, মানুষ শিল্পীদের সম্মান করে, ভালোবাসে; কিন্তু বর্তমানে যা চলছে তা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সুদীপার এই বিস্ফোরক পোস্টের পর এখন টলিপাড়ার জল কোন দিকে গড়ায়, সেটাই দেখার।



