জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলোর মধ্যে “তুই আমার HERO” সিরিয়ালটি অন্যতম জনপ্রিয়। সিরিয়ালটি শুরু হওয়ার পর থেকেই একচেটিয়া TRP তালিকায় প্রতিপক্ষকে স্লট হারা করে রেখেছে। আসলে সুপারস্টার শাক্যজিৎ এবং এক সামান্য মেয়ের প্রেম, বিয়ে ও সাংসারিক কুটকাচালি দিয়েই রাইটার সাজিয়েছে এই গল্পের প্লট। যেটি দর্শকেরা প্রথম থেকেই দারুণভাবেই পছন্দ করছে। 👍
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!
সম্প্রতি এই সিরিয়ালে আমরা দেখতে পেলাম দারুন একটি টুইস্ট। আসলে এই সিরিয়ালের খলনায়িকা সায়ন্তনীর একটি জমজ বোন রয়েছে। যেই জমজ বোনই হচ্ছে বাংলা সিনেমার এক নম্বর নায়িকা। তাই সায়ন্তনী তার যমজ বোন মধুবনিকে মৃত প্রায় অবস্থায় রেখে প্রায় ছয় বছর তার নাম ভাঙ্গিয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেছিল। কিন্তু আরশি সেটা ধরে ফেলে এবং সে আসল মধুবনিকে আদালতে জাস্টিস দিয়ে, তাকে সুস্থ করে আবারো সিনেমার দুনিয়াতে ফিরিয়ে আনে। ওদিকে সায়ন্তনীর জেল হলেও শাক্যজিতের প্রতিপক্ষ জেজের সাহায্যে জেল থেকে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায়। 😱
আর সে ছাড়া পেয়েই একসাথে তার জমজ বোন মধুবনি এবং আরশি, দুজনকেই তার রাস্তা থেকে সরানোর প্ল্যান করে। 👀 সেই মতো প্রথমে সে তার বোন মধুবনিকে কিডন্যাপ করায়। এরপর আরশিকেও ট্র্যাপে ফেলে কিডন্যাপ করিয়ে নেয়। 😱 স্বাভাবিকভাবেই আরশি যখন কিডন্যাপ হয় তখন শাক্যজিত পুলিশের দ্বারস্থ হয়। 👍 শাক্যজিৎ প্রতিজ্ঞা করে, সে যেখান থেকেই হোক আরশিকে খুঁজে নিয়ে আসবেই.! 😱

ওদিকে আমরা দেখতে পাই আরশি ও মধুবনিকে একই সাথে একই জায়গায় রাখা হয়েছে। তারা দুজন দুজনকে দেখে চমকে যায়। তারা ভাল মতোই বুঝতে পারে এটা সায়ন্তনীরই কাজ। 👀 সেখানে উপস্থিত গুন্ডাদেরকে তারা যখন জিজ্ঞাসা করে, তাদেরকে কোথায় নিয়ে আসা হয়েছে.? 🤔 তখন ওই গুন্ডারা জানায়, তারা এখন মুম্বাইয়ের এক নিষিদ্ধ পল্লীতে রয়েছে। 😱
So শাক্য তো প্রতিজ্ঞা করলো, সে আরশিকে যেখান থেকে হোক খুজে আনবেই.! কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, তার কাছে এখন মধুবনি সেজে যেই সায়ন্তনী রয়েছে, সে কি এত সহজে শাক্যকে উদ্ধার করতে দেবে আরশিকে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




