
বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় চ্যানেল স্টার জলসায় খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে একটি নতুন ধারাবাহিক.! যার নাম রাখা হয়েছে “সংসারের সংকীর্তন”। আর তার প্রথম প্রোমো দেখেই দর্শকদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকদিন পর ছোট পর্দায় একসঙ্গে ফিরছেন সব্যসাচী চৌধুরী এবং মানালি দে। এই দুজনকে আবার একসাথে দেখতে পেয়ে তাদের ভক্তরাও বেশ খুশি।
প্রোমো দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গল্পটা শুধুই সাধারণ পারিবারিক নয়। এখানে সম্পর্ক, মানিয়ে নেওয়া এবং আবেগের সাথে সাথে হাস্যরসের একটা বড় ভূমিকা থাকবে। নতুন পরিবেশে এসে মানালির চরিত্রকে সবকিছু সামলাতে হচ্ছে, আর সেই জায়গায় তার মধ্যে একটা অস্বস্তিও কাজ করছে, যা খুব স্বাভাবিকভাবেই তুলে ধরা হয়েছে।
গল্পে একটা বড় টুইস্টও রাখা হয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি মানালির চরিত্রটি সব্যসাচীকে বিয়ে করে গাড়িতে করে শ্বশুর বাড়িতে ফিরছে। মানালি গাড়িতে বসে বসেই স্বপ্ন দেখতে থাকে, যে তাকে তার শ্বশুরমশাই ধুমধাম সহকারে বরণ করছে। কিন্তু এরপরেই চলন্ত গাড়ির মধ্যে হঠাৎ ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা পুরো পরিস্থিতিটাই বদলে দেয়। মানালি বুঝতে পারে, এতক্ষণ ধরেছি যেটা দেখছিল সেটা পুরোটাই তার স্বপ্ন ছিল। আরো ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, এখানে গল্পটাকে ঘটি ভার্সেস বাঙালের লড়াই এর আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। আর এখানে পরিষ্কার বুঝতে পারা যাচ্ছে, যে মানালীর চরিত্রটি এখানে বাঙাল.! আর সম্ভবত সব্যসাচীর পরিবার এখানে ঘটি। 😱
তাছাড়া এই ধারাবাহিকের অন্যতম মেইন আকর্ষণ হতে চলেছে বহুদিন পর শুভাশিস মুখার্জি এবং পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত জাঁদরেল অভিনেতার আবারও ছোট পর্দায় কাম ব্যাক করা। দর্শক তো ইতিমধ্যেই এই দুজনকে প্রোমোতে দেখতে পেয়ে উত্তেজনায় ফুটতে শুরু করেছে।
এখানে শুভাশিস মুখার্জির চরিত্রটি সব্যসাচীর বাবা অর্থাৎ মানালির শ্বশুরমশাই হতে চলেছে। যে আবার কোনমতেই মানালিকে তার ছেলের বউ হিসেবে মানতে চায় না। অন্যদিকে পরাণ বন্দোপাধ্যায় এখানে হয়েছে সব্যসাচীর দাদু। যিনি আবার নাত বউকে দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
প্রোমোর শেষ অংশে এমন একটা দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যা চমকে দিয়েছে দর্শকদের। আমরা দেখতে পাচ্ছি শ্বশুর শুভাশিস মুখার্জি এবং বৌমা মানালি দে একে অপরের দিকে বন্দুক তাক করে রয়েছে। মানে এখান থেকে তো পরিষ্কার বোঝাই যাচ্ছে, যে শ্বশুর যদি হয় বুনো ওল, তাহলে বৌমাও কিন্তু বাঘা তেঁতুল। 😱
প্রোমো প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই এই নতুন জুটিকে আবার একসঙ্গে দেখে খুশি, আবার কেউ কেউ গল্পের নতুনত্ব নিয়ে আশাবাদী। সব মিলিয়ে বলা যায়, শুরু হওয়ার আগেই এই ধারাবাহিক নিয়ে কৌতূহল অনেকটাই বেড়ে গেছে। এখন দেখার বিষয়, পর্দায় আসার পর এই গল্পটা দর্শকদের কতটা ধরে রাখতে পারে।



