পুলস্ত্য তাহলে শেষ পর্যন্ত জানতে পেরেই গেল, যে সে নবদ্বীপের গোস্বামী পরিবারেরই সন্তান। হ্যাঁ, জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালে আজকের পর্বে আমরা এমনটাই দেখতে পেতে চলেছি.! অন্তত প্রিক্যাপ তো সেই কথাই বলছে। 😱
সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম ব্রজধামে মহাপ্রভুর পুজোর সময়েই ঐ ফুল মুরারির কাব্যটি চুরি করতে শাড়ি পরে নারীর ছদ্মবেশ বাড়িতে ঢুকে পড়ে পুলস্ত্য। কিন্তু সে তন্ন তন্ন করে পুরো লাইব্রেরি খুঁজে ফেললেও, খুঁজে পায় না সেই ফুল মুরারির কাব্যটি। কিন্তু তার পরিবর্তে সে পেয়ে যায় এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, যেটি দেখে চমকে যায় সে। সে ওই লাইব্রেরীতে তার মা ও বাবার একটি ছবি খুঁজে পায়। স্বাভাবিকভাবেই তার মনে প্রশ্ন ওঠে, যে তার মা ও বাবার ছবি এই বাড়িতে কেন.? 🤔
কিন্তু সে এই নিয়ে বেশি কিছু ভাবার আগেই দিতি ও গোরা বুঝতে পেরে যায়, যে পুলস্ত্য ওই ফুল মুরারির কাব্যটি চুরি করতে লাইব্রেরীতে ঢুকেছে। ফলে তারা পুলস্ত্যকে হাতে নাতে ধরতে বন্ধ করে দেয় ব্রজধামের দরজা। আর তারপর তারা একে একে সবাইকে চেক করা শুরু করে। সেই সময় পুলস্ত্য কোন উপায় না দেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে দিতি তার মাথায় নারকেল ভেঙ্গে তাকে ফেলে দেয়। 😜 এরপর তাকে ব্রজধামে ধরে এনে সবাই পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়, যে এরপর তাকে যদি আবারো এখানে দেখা যায়, তাহলে তার কিন্তু রক্ষে নেই। শুধু তাই নয়, এরপর তাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয় ব্রজধাম থেকে। 😱
পুলস্ত্য সেই মুহূর্তে সেখান থেকে চলে তো যায়.! কিন্তু সে বাড়ি ফিরে তার মা-বাবার সাথে ওই ব্রজধামের কি সম্পর্ক সেই নিয়ে তারা মা-বাবাকে প্রশ্ন করা শুরু করে.! স্বাভাবিকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়ে তার মা-বাবা সমস্ত সত্যিটা জানিয়ে দেয়। এরপরেই পুলস্ত্য প্রতিজ্ঞা করে নেয়, আজকে তাকে যেই ব্রজধাম থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, সেই ব্রজধামেই এবার সে আসছে তার অধিকার ফিরিয়ে নিতে। 😱




