নার্সিংহোমেই সর্বনাশ! অরুনাভ কিডন্যাপ, অচৈতন্য দিতিকে নিয়ে পালাল পুলস্ত্য—মহাপ্রভুর দেখানো পথেই কি দিতিকে বাঁচাবে গোরা?

এক্কেবারে জমে উঠেছে জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় সিরিয়াল “তারে ধরি ধরি মনে করি”। 😱 তো সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখেছিলাম পুলস্ত্য সাধু সেজে ব্রজধামে এসে দিতি পায়ে ছাই ভষ্ম মাখানোর অছিলায় কিছু একটা ফুটিয়ে দেয়। আর তারপরেই আমরা দেখতে পাই ধূম জ্বর আসে দিতির.! 👀

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পুলস্ত্যের দেওয়া ওই বিষের / কোন এক ওষুধের তীব্রতা এতটাই ভয়ঙ্কর ছিল যে, হাজার চেষ্টা করেও জ্বর কিছুতেই কমছিলো না দিতির। উল্টে সময়ের সাথে সাথে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছিল তার। 😥 স্বাভাবিকভাবেই পরিস্থিতি খারাপ দেখে গোরা দিতিকে অরুনাভর নার্সিংহোমে ভর্তির ব্যবস্থা করে.! 👍 কিন্তু পুলস্ত্যের লোক আবার অরুনাভকে কিডন্যাপ করে নেয় এবং দিতিকে তাদের প্ল্যান মতো একটা বেডে রাখার ব্যবস্থা করে। 👀

বেচারা গোরা যে কিনা পুলস্ত্যের এই সমস্ত প্ল্যানের ব্যাপারে কিছুই জানতো না.! তাই সে অরুনাভর কথা মত দিতিকে নার্সিংহোমের সেই বেডেই রাখার ব্যবস্থা করে যেখানে তার বন্ধু অরুনাভ তাকে প্রাণভয়ে বলতে বাধ্য হয়েছিল.! 😱

এদিকে প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি পুলস্ত্য তার প্ল্যান মতো সেই নার্সিংহোম থেকে কিডন্যাপ করে নেয় দিতিকে.! কিন্তু যখন তারা অচৈতন্য অবস্থায় দিতিকে হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় গাড়িতে তুলতে যাবে, তখনই মহাপ্রভু আবারও গোরাকে একটা ইঙ্গিত দেন.! গোরা সেই সময় সেখান দিয়েই নার্সিংহোমে ঢুকছিল.! আর সেই সময়ই দিতির হুইলচেয়ার আটকে যায়। 😱 স্বাভাবিকভাবে গোরাও সেটা আবছা লক্ষ্য করে। কিন্তু সে ভালোভাবে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলস্ত্য গাড়িতে উঠিয়ে দিতিকে নিয়ে চলে যায় সেখান থেকে। 👀 অবশ্য গোরা সেই গুন্ডাদের একজনকে দেখে চিনতে পারে.? 😱

So এখন শুধু এটাই দেখার, পুলস্ত্য দিতিকে নিয়ে বেশি দূর চলে যাওয়ার আগে গোরা সমস্তটা বুঝতে পারে কিনা.? 🤔 আর মহাপ্রভুর কৃপায় পুলস্ত্য দিতির কোন ক্ষতি করার আগেই গোরা তাকে বাঁচাতে পারে কিনা.? 🤔 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, গোরা কি পারবে সুস্থ অবস্থায় দিতিকে উদ্ধার করতে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Leave a Comment

Latest Updates