জি বাংলার “পরিণীতা” সিরিয়ালের সাম্প্রতিক এপিসোডে ঘটে গেল এক ভয়ংকর ঘটনা। 👀 আমরা দেখতে পাই রতনের সাথে টগরের বিয়ে ঠিক হয়। কিন্তু রতন দাবি করে তাকে আড়াই লাখ টাকার বাইক না দিলে সে বিয়ে করবেনা। এরপর পারুল টগরের চাপে বাধ্য হয় সেই বাইক দিয়ে তার বিয়ে ফাইনাল করতে। 👍
কিন্তু বিয়ের দিন কোন কারণবশত সেই বাইক আসতে দেরি হওয়ায় রতন বেঁকে বসে। যে অপমান করতে শুরু করে পারুল ও তার মা-বাবাকে। এরপর যখন বাইক চলে আসে, তখন রতন বিয়ে করতে রাজি হয়ে যায়। কিন্তু এবার পারুল বেঁকে বসে.! পারুল বলে, যে ছেলে সামান্য একটা বাইকের জন্য এইরকম অসভ্যতামও করতে পারে, তার সাথে আমি আমার বোনের বিয়ে দেব না। এরপরই পারুল নিজের হাতে বিয়ে ভেঙে দেয়। 😱
কিন্তু এর ফলে হিতে বিপরীত হয়ে যায়। টগর এর জন্য পারুলকেই দায়ী করতে থাকে এবং সে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করতে যায়। সবাই হাজার চেষ্টা করেও টগরকে সামলাতে পারে না। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মল্লার তখন টগরকে বাঁচানোর জন্য হঠাৎ করেই বলে ফেলে সে বিয়ে করবে টগরকে। 👀 আর কি, এটা শুনেই টগর আত্মহত্যা করা ক্যান্সেল করে দেয়। কিন্তু মল্লারের হঠাৎ করে এমন সিদ্ধান্তে যেখানে উপস্থিত সবাই হকচকিয়ে যায়। পারুল বুঝতে পারে এটা মল্লার তার বোনকে বাঁচানোর জন্যই বলেছে। কিন্তু তার বোন নাছোড়বান্দা, সে বলে মল্লার যেহেতু তাকে কথা দিয়েছে, তাই সে যদি এখন তাকে বিয়ে না করে, তাহলে সে এবার বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করবে। আর তার আত্মহত্যার জন্য দায়ী হবে তার দিদি ও মল্লার। 👀 টগরের মুখে এই কথা শুনেই ভয় পেয়ে যায় মল্লার। কিন্তু পারুল তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, টগর এইসব কিছুই করবে না। সে মল্লারকে ব্ল্যাকমেইল করেছে। তাই মল্লার যেন তাড়াতাড়ি এখান থেকে চলে যায়। কিন্তু টগর সত্যি সত্যিই বিষ খেতে যায়। তাই মল্লার আর সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। সে রাজি হয়ে যায় টগরকে বিয়ে করতে। 😱
কিন্তু এর ফলে চিন্তায় পড়ে যায় পারুল। কারণ সে ভালোভাবেই জানে এর কারনে রায়ান তাকে আবারও ভুল বুঝবে। কিন্তু রায়ান তাকে ভুল প্রমাণিত করে তার পাশে এসে দাঁড়ায়। রায়ান বলে এখানে যেটা হয়েছে সবটাই আমি দেখেছি। তাই চিন্তা করিস না আমি তোর পাশে আছি। কিন্তু পারুল বলে, বাড়ির লোকেদেরকে কে বোঝাবে.? তখন রায়ান বলে আমরা দুজন মিলেই সবার সামনে সবটা বলবো। 🥰
ওদিকে শুরু হয়ে যায় বিয়ের অনুষ্ঠান এবং মল্লার অবশেষে টগরে সীঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করে। মল্লার টগরকে সিঁদুর পরানোর সাথে সাথেই টগর তো খুবই খুশি হয়। কিন্তু বেচারা মল্লার, তার মুখটা কিন্তু একেবারে শুকিয়ে যায়। 🥹
So বুঝতেই তো পারছো কত বড় একটা কান্ড ঘটে গিয়েছে.! তো কি মনে হচ্ছে, বসু বাড়ির লোকেরা, স্পেশালি রায়ানের মা এবং মল্লারের মা-দিদি কি এত সহজে ছেড়ে দেবে পারুলকে.? 🤔 আর সব থেকে বড় কথা, তারা কি টগরকে মেনে নেবে তাদের বাড়ির বউ হিসেবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




