জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালে সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম যে অপর্নাকে মিথ্যে খুনের দায় ফাঁসিয়ে দেয় রোহিণী। আর তারপর সে নিজেই অপর্ণার উকিল হয়ে অপর্নার কেসটা লড়ে। অবশেষে গতকালের এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম রোহিণী সফলভাবে অপর্ণাকে আদালতে নির্দোষ প্রমাণ করলো। 😱
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, অপর্ণাকে রোহিণী নির্দোষ প্রমাণ করে বের করলেও কোন পারিশ্রমিকই কিন্তু সে নেয়নি। স্বাভাবিকভাবেই আর্য থেকে শুরু করে অপর্না বা কিংকর সকলেরই মনে কিন্তু রোহিণীকে নিয়ে সন্দেহ ঢুকে যায়। তাছাড়া কিংকর যখন রোহিণীকে প্রশ্ন করে, সে ওই ভিডিও ফুটেজগুলো কোত্থেকে পেল.? তখন কিন্তু কোন সঠিক উত্তর সে দিতে পারেনি। 👀
অন্যদিকে কিংকর যখন অপর্ণাকে তার ওই বারে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করে, তখন আর্যর মনে সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও সেও কিন্তু তার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি কাছে থাকার কারণে ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, কিংকর ও আর্য যখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, তখন একটি গাড়ি কিংকরকে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে.! কিন্তু আর্য সেটা দেখতে পেয়ে যাওয়ায় সে কিংকরকে বাঁচিয়ে নেয়। 😱
So দেখে তো মনে হচ্ছে গাড়িটি কিংকরকে যেন ইচ্ছে করেই চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল.? 🤔 আর এখানে কিন্তু সন্দেহটা ঘুরে ফিরে আসছে সেই রোহিণীর দিকেই। কারণ কিংকরই কিন্তু সেই ব্যক্তি, যে রোহিণীকে নিয়ে প্রথম থেকেই আপত্তি জানিয়েছিল.! তাছাড়া রোহিণীকে ওই ভিডিও ফুটেজ গুলো নিয়ে প্রশ্নও কিন্তু সেই করেছিল। তাই এই কাজটা যদি তারই হয়, তাহলে কিন্তু অবাক হওয়ার কিছুই নেই.! 😱 তাছাড়া সত্যি কি, আর কি-বা মিথ্যে সেটা তো আজকের এপিসোডেই জানা যাবে.! 👍 বাকি তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




