জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে অবশেষে আজকের এপিসোডে ঘটতে চলেছে সেই বিরল ঘটনা, যেটার সাক্ষী থাকার জন্য মাসের পর মাস ধরে মুখিয়ে রয়েছে লাখ লাখ দর্শক.! হ্যাঁ, আজকেই সেই দিন, যেদিন অবশেষে ধৈর্যের বাঁধ ভাঙতে চলেছে রায়ানের বাবার। 😱
আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম, পিসিমণি ওনার প্রাক্তন প্রেমিকের কথায় গলে গিয়ে বিয়ের দিনই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু রায়ান ও পারুল অন্তিম মুহূর্তে পিসিমণিকে ওই লোকটির হাত থেকে বাঁচায়। শুধু তাই নয়, তারা পিসিমণির কাছে ঐ লোকটার মুখোশ টেনে খুলে দেয় এবং লোকটিকে পুলিশের হাতেও তুলে দেয়। 👍
এরপর পারুল ও রায়ান পিসিমণিকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। কিন্তু পিসিমণি এইভাবে ঠকিয়ে অনিরুদ্ধ স্যারকে বিয়ে করবে না বলে বেঁকে বসে। তাই উনি কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই বাড়ি ভর্তি লোকের সামনে অনিরুদ্ধ স্যারকে সমস্তটা খুলে বলে। শুধু তাই নয়, তিনি বলে অনিরুদ্ধ স্যারের মতো একজন ভদ্র মানুষ তার মতো মহিলাকে ডিজার্ভ করে না। এই বলেই পিসিমণ বিয়ের মন্ডপ ছেড়ে নিজের রুমে চলে যায়। 🥲
তব পিসিমণি শুধুমাত্র নিজের রুমে গিয়েই কিন্তু ক্ষান্ত হয় না.! তিনি একটি চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। তিনি গলায় দড়ি দিয়ে নিজেকে শেষ করার বন্দোবস্ত করে ফেলেন। যেটা পারুল দেখতে পেয়ে সবাইকে চিৎকার করে জানিয়ে দেয়। 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি সুস্থ অবস্থায় পিসিমণি দাঁড়িয়ে রয়েছে। আর অনিরুদ্ধ স্যার পারুল ও রায়ানকে জিজ্ঞাসা করছে, যে শিরিনকে পিসিমণির প্রেমিক সমরেশের কথাটা কে জানিয়েছে.? তখন রায়ান জানায়, যে তার মা-ই এটা করেছে.! এটা শুনেই স্বাভাবিকভাবেই সবাই চমকে যায়। কিন্তু রায়ানের মা নিজের কাজের জন্য লজ্জ্বিত হওয়ার পরিবর্তে উল্টে আবার গলাবাজি করতে শুরু করে। সে চিৎকার করে বলে, সে যেটা করেছে একদম ঠিক করেছে। 👀 স্বাভাবিকভাবেই রায়ানের বাবার মত শান্ত মস্তিষ্কের মানুষও আর নিজেকে ধরে রাখতে পারে না.! তিনি জীবনে প্রথমবারের মতো সপাটে নিজের স্ত্রীকে একটি চড় মারেন। 😱
অন্যদিকে যখন থেকে এই প্রিক্যাপ সামনে এসেছে তখন থেকেই খুশিতে মেতে উঠেছে দর্শকমহল। কারণ এই রায়ানের মা মহিলাটি এর আগে বহু অপরাধ করেও ছাড় পেয়ে গিয়েছে। শুধুমাত্র গুরুজন বলেই কিন্তু তাকে অনেক বার মাফ করে দেওয়া হয়েছে। যেটা আবার মোটেও ভালোভাবে নিতে পারেনি দর্শকমহল। তাই আজকে যখন তারা এমন একটা দৃশ্য দেখতে পেয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই তারা খুশিতে মেতে উঠেছে। 🥰




