স্টার জলসার “প্রতিজ্ঞা” সিরিয়ালের সাম্প্রতিক এপিসোডে একের পর এক এমন ঘটনা ঘটল, যা গল্পকে একেবারে অন্য লেভেলে নিয়ে গেছে। ইমোশন, ভুল বোঝাবুঝি আর বড়সড় রহস্য মিলিয়ে এই ট্র্যাক এখন ভীষণ ইন্টারেস্টিং হয়ে উঠেছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!আগের এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম, পরীর আসল বাবা হিরন্ময় বাবু জানতে পারেন যে পুলিশ তার বহু বছরের পুরনো নিখোঁজ স্ত্রী ও সন্তানের কেসটি বন্ধ করে দিতে চলেছে। অন্যদিকে ছুটি থানায় গিয়ে প্রোমোটার আর তার বোনের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চাইলেও, পুলিশ তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে সেই অভিযোগ নিতে চায় না।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, ভেঙে পড়া অবস্থায় হিরন্ময় বাবু থানার বাইরে বেরিয়ে আসেন। ঠিক সেই সময় তার হাত থেকে মোবাইল পড়ে যায়, আর সেটা লক্ষ্য করে ছুটি। শুধু তাই নয়, ছুটি বুঝতে পারে লোকটি মানসিকভাবে খুবই বিপর্যস্ত, তাই সে তার পেছনে পেছনে যায়।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, অভি তার বন্ধুকে নিয়ে থানায় হাজির হয় ছুটির বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করতে। কারণ ছুটি ভুল করে এমন একটি পোস্টার তৈরি করে, যেখানে অভির ছবি নিয়ে শহরজুড়ে হাসাহাসি শুরু হয়। কিন্তু থানায় এসে যখন সে হিরন্ময় বাবুর পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে পারে, তখন সেও বাইরে বেরিয়ে যায়।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, রাস্তার উপর হিরন্ময় বাবু গাড়ির সামনে চলে আসেন, আর ঠিক তখনই ছুটি তাকে বাঁচিয়ে দেয়। ভাগ্যের এমন খেলা, বাবা আর মেয়ের মুখোমুখি দেখা হলেও কেউ কাউকে চিনতে পারে না।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, হিরন্ময় বাবু খুশি হয়ে ছুটিকে নিজের কার্ড দেন এবং অভিকে বলেন তাকে বাড়ি পৌঁছে দিতে। অভিও প্রথমে রেগে থাকলেও, এই ঘটনার পর তার মন নরম হয়ে যায়। ছুটিকে বাড়ি পৌঁছে দিতে গিয়ে তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝিও অনেকটাই কমে যায়।
অন্যদিকে আমরা দেখতে পাই, ছুটি তার পালিত বাবার সঙ্গে এক বৃদ্ধ দম্পতিকে নিয়ে হাসপাতালে যায়। আর সেখানেই সামনে আসে গল্পের সবচেয়ে বড় টুইস্ট। এক গুরুতর আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়, যার পাশে কেউ নেই। পরে জানা যায়, এই লোকটিই সেই ট্রাক ড্রাইভার, যে বহু বছর আগে পরী এবং তার বাবা মায়ের গাড়ির অ্যাক্সিডেন্ট ঘটিয়েছিল।
এরপরে আমরা দেখতে পাই, মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে সেই লোকটি নিজের পাপের কথা স্বীকার করতে শুরু করে এবং ছুটির হাত ধরে অনুরোধ করে, যেন উকিল হিরন্ময় দাশগুপ্তকে ডেকে আনা হয়। কারণ সে তার স্ত্রী এবং সন্তানের বিষয়ে সব সত্যি জানাতে চায়।
প্রিক্যাপে আমরা দেখতে পাচ্ছি, ছুটি হিরন্ময় বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে সরাসরি তার চেম্বারে পৌঁছে যায় এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে রাজি করায়। কিন্তু ঠিক তখনই ঘটে যায় আরও বড় বিপর্যয়। হাসপাতালের মধ্যেই হিরন্ময় বাবুর ভাই সেই ড্রাইভারকে খুন করে ফেলে।
আর এখানেই তৈরি হয় নতুন ভুল বোঝাবুঝি। অভি আবারও ছুটিকে সন্দেহ করতে শুরু করে এবং মনে করে, ছুটি ইচ্ছা করেই হিরন্ময় বাবুকে ফাঁসানোর জন্য এই সবকিছু করেছে।
এখন গল্প এসে দাঁড়িয়েছে এক জটিল মোড়ে। অভি কেন আবার ছুটিকে ভুল বুঝছে, হিরন্ময় বাবু কীভাবে এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়লেন, আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, ড্রাইভার মারা যাওয়ায় কি তাহলে বহু বছরের সেই সত্যিটা চিরকালের মতো চাপা পড়ে যাবে? আগামী পর্বে মিলবে এই সব প্রশ্নের উত্তর।




