জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালটি এই মুহূর্তে এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেখানে উথাল পাথাল হতে চলেছে আর্য ও অপর্ণার বিবাহিত জীবন.! 😱 আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম যে মানসী অপুর মাকে ফোন করে ভয় দেখায়, অপুকে সিংহরায় বাড়িতে পাঠাতে বারণ করে.! 👍 স্বাভাবিকভাবেই ভয় পেয়ে যায় অপুর মা। কিন্তু অপুর মায়ের এই ভয়টা যে আরো বড় আকার ধারণ করবে, সেটা কেউ ভাবতেই পারেনি.! 👀
সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম অপর্ণাকে তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে রাতের বেলায় এসে হাজির হয় আর্য। আর তারপর সে অপর্ণার বাবা-মাকে বলে যায়, যে তারা যেন সন্ধ্যেবেলায় অপর্ণাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যায়। 👍
এদিকে পরদিন আবার আমরা দেখতে পাই ঐ রহস্যময়ী মহিলাটি, যে রহস্যজনকভাবে আর্যর পেছনে হাত ধুয়ে পড়ে রয়েছে.! সেই মহিলাটি একটি পার্সেল পাঠায় অপুর মা ও বাবার নামে। অপুর মা-বাবা সেখান থেকে একটা চিরকুট পায়। সেই চিরকুট পড়ে দেখতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায় অপুর মা-বাবার। 👀 সেই চিরকুটে লেখা থাকে আর্যই তার স্ত্রী রাজনন্দিনীর খুনের জন্য দায়ী। 😱
এদিকে প্রিক্যাপে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি অপর্ণা যখন তার বন্ধু রুম্পা ও সন্তুর সাথে মন্দিরে পুজো দিতে যায়, তখন কেউ একজন অপর্ণাকেও একটি চিরকুট দিয়ে যায়.! সেই চিরকুটে লেখা থাকে, “ওই বন্ধ দরজার ভেতরে কি আছে জানতে হবে.! কি আছে সেখানে.? অফিসের ফাইলে যার নাম সই আজও আছে, সে কে.? কিভাবে মারা গেল সে.?” 🤔 স্বাভাবিকভাবেই এটা দেখেই চমকে যায় অপর্না। 😱
So বুঝতেই তো পারছো, গল্প এখন ঠিক কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে.? এবার কিন্তু একসাথে মা, বাবা ও মেয়ে তিনজনের মনেই সন্দেহ ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে.! যদিও অপুর এই সমস্তটা হ্যান্ডেল করে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে.! কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এমন একটি চিরকুট পাওয়ার পরেও অপুর মা-বাবা কি ঠিক থাকতে পারবে.? 🤔 বিশেষ করে তারা যখন ইতিমধ্যে মানসীর কাজ থেকেও এমন একটি সতর্কবার্তা পেয়েছে.? 🤔 কি মনে হচ্ছে তোমাদের, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




