“রিটার্ন গিফট দেবে না?”—আর্যর জন্মদিনে হঠাৎ রাজনন্দিনীর বিস্ফোরক এন্ট্রি! স্তম্ভিত সবাই—যার মৃত্যু নিয়েই ছিল এত রহস্য, তাহলে কি সে সত্যিই বেঁচে আছে, নাকি শুরু হলো নতুন কোনো চক্রান্ত?

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “চিরদিনই তুমি যে আমার” সিরিয়ালের একটি মাথা ঘোরানো প্রোমো ড্রপ করা হয়েছে। একচুয়ালি এটাকে শুধুমাত্র মাথা ঘোরানো প্রোমো বললে ভুল হবে.! এটাকে যদি সব থেকে শকিং প্রোমোও বলা হয়, তাহলেও কিন্তু ভুল হবেনা। 👀

এই নতুন প্রোমোতে আমরা দেখতে পাচ্ছি আর্য সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছে এবং সিংহ রায় বাড়িতে ধুমধাম সহকারে পালন করা হচ্ছে তার জন্মদিন। আর্য তার জন্মদিনের দিন নিজের হাতে অপর্ণাকে কেক খাইয়ে দিচ্ছে এবং তার সাথে জন্ম জন্মান্তর ধরে থাকার শপথ নিচ্ছে.!

ঠিক তখনই আমরা দেখতে পাই দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকছে এর মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক.! আর সেই লোকটি যেভাবে ভেতরে ঢুকেছে এবং তাকে দেখে যেভাবে রাজলক্ষ্মী দেবী চমকে উঠেছে, মনে তো হচ্ছে ওই লোকটিই হচ্ছে ওনার স্বামী অর্থাৎ রাজনন্দিনীর বাবা.? 👍

তবে চমকের কিন্তু এখানেই শেষ নয়.! কারণ ওই ভদ্রলোকটি বাড়ির ভেতরে ঢুকেই বলে আর্য কিভাবে রাজনন্দিনী বেঁচে থাকতে অন্য কারো সাথে জন্ম জন্মান্তর ধরে থাকবে.? এরপরই আমরা দেখতে পাই ওই লোকটির পেছন থেকে উঁকি দিয়ে সামনে আসে স্বয়ং রাজনন্দিনী। 😱 স্বাভাবিকভাবেই তাকে দেখে চমকে যায় সবাই। আর্য থেকে শুরু করে রাজলক্ষী দেবী, অপর্ণা সবার চক্ষু জাস্ট ছানাবড়া হয়ে যায়। 👀 রাজনন্দিনীকে দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, যে তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছে.! তাই সে যখন শুনতে পায়, যে আজকে আর্যর জন্মদিন.! তখন সে আর্যকে প্রশ্ন করে বলে, আজ তোমার জন্মদিন.! আমাকে রিটার্ন গিফট দেবে না.? 🤔

বুঝতেই তো পারছো, যে আর্য এমনিতেই রাজনন্দিনীর নাম শুনলে ‘খৈ’ হারিয়ে ফেলে.! তার কাছেই এবার যদি সেই রাজনন্দিনী জলজ্যান্ত অবস্থায় সামনে এসে দাঁড়ায়, তখন তার কি অবস্থা হতে পারে.? স্বাভাবিকভাবেই আর্য কিছুই বুঝতে পারে না.! সে শুধু হাঁ হয়ে রাজনন্দিনীর দিকে তাকিয়ে থাকে। 😱

So কি মনে হচ্ছে, এটা কি সত্যিই রাজনন্দিনী.? তারমানে রাজনন্দিনী কি সেদিন মরেনি.? সে কি এতদিন মানসিক ভারসাম্যহীন হয়েই বেঁচে ছিল.? নাকি তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন করে রাখা হয়েছে.? নাকি এই মহিলাটি আসলে রাজনন্দিনীই নয়, এটি রোহিনী এবং তার বাবার নতুন একটা চাল.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Leave a Comment

Latest Updates

Bangla Serial
Amit Barik
প্রসাদে বিষ মিশিয়ে পাপ করল পুলস্ত্য, বিষের জ্বালায় নীল হয়ে গেল মহাপ্রভুর গলা! তবু তাঁরই কৃপায় প্রাণে বাঁচলো সবাই—শুধু তাই নয়, রক্ত বমি করিয়ে পুলস্ত্যকে পাপের শাস্তিও দিলো স্বয়ং মহাপ্রভু!
Read More »