জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেলাম দুর্দান্ত কিছু টুইস্ট। যেগুলোর জন্য অ্যাকচুয়ালি তৈরিই ছিল না দর্শক মহল.! একজন অতি বড় দর্শকও বোধহয় ভাবতে পারেনি, যে একজন সামান্য CEO-র এমন ভয়ংকর অতীত থাকতে পারে.? 🤔👀
কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম পিওর লাইফে নতুন একজনকে বস হিসাবে নিয়োগ করা হয়.! কিন্তু সেই বস অর্থাৎ অনিরুদ্ধ আবার পারুল ও রায়ানের সাথে মিলে সংযুক্তাকে এক্সপোজ করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্বাভাবিকভাবেই এর ফলেই কাজে লেগে পড়ে সবাই মিলে। 👍 এরপর আমরা একে একে জানতে পারি সংযুক্তার কোটি কোটি টাকা কোম্পানি থেকে চুরি করার কথা এবং সেই টাকা দিয়ে বেআইনি জিনিসপত্র সংগ্রহ করে রাখা। কিন্তু এর থেকেও যে আরও বড়ো কিছু দেখা বাকি ছিল, সেটা কিন্তু অতি বড় দর্শকও ভাবতে পারেনি। 👀
আসলে একদিন হঠাৎ করেই পারুলেরা জানতে পারে, ওই পিওর লাইফে শুধুমাত্র সুবিনয় নামের একজনই কিন্তু আত্মহত্যা করেনি, সুবিনয় ছাড়াও আরও একজন আত্মহত্যা করেছে.! আর ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে সেই ছেলেটাও কিন্তু একাউন্টস ডিপার্টমেন্টেরই। 😱
স্বাভাবিকভাবেই এটা জানার পর এই নিয়ে খোঁজখবর করা শুরু করে দেয় পারুলেরা। আর তারা জানতে পারে সংযুক্তা একটি নার্সিংহোমের সাহায্যে সুস্থ সুবিনয়কে খুন করে সেটাকে নরমাল মৃত্যু বলে চালিয়ে দিয়েছে। 😱 আর কি, এরপরেই পারুলেরা ঠিক করে নেয়, তারা সুবিনয়ের বাড়ির লোককে দিয়ে ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে কেস করবে। আর সেই মতো তারা নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে কেস করেও দেয়। 👍 আর ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে, ওই নার্সিংহোমটি আবার পিওর লাইফেরই সিনিয়র টিম লিডার শালিনীর স্বামীর। 😱
So এবার তাহলে দেখাই যাক, পারুলেরা এই ভাবে পেছন থেকে কতদিন খেলাটা চালিয়ে যেতে পারে.? 🤔 আর সংযুক্তারই বা এটা বুঝতে কতদিন লাগে, যে এর পেছনে আসলে পারুল-ই রয়েছে.? 🤔




