স্টার জলসার সিরিয়ালগুলোর মধ্যে “চিরসখা” সিরিয়ালটি অন্যতম জনপ্রিয় একটি সিরিয়াল। শুরুর প্রথম ২-৪ সপ্তাহ একটু পিছিয়ে থাকলেও, তার পরবর্তীতে একচেটিয়া TRP তালিকায় রাজত্ব করে চলেছে। সম্প্রতিকা TRP তালিকায় এটি তো প্রথম দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছে। 😱
তো সাম্প্রতিক পর্বে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে প্লুটো ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে নিয়েছে। আর এই নিয়ে মৌ এবং অনন্যা মিঠিকেই দায়ী করছে। আর সেটা আজকে সমস্ত মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, যখন প্লুটোর মৃত্যুর খবর পেয়ে মিঠি কাঁদতে কাঁদতে প্লুটোকে শেষ বারের জন্য দেখতে আসে.! 🥹💔
মিঠি প্লুটোকে ঐ অবস্থায় দেখে অঝোরে কাঁদতে থাকে। কিন্তু মৌয়ের সেটা সহ্য হয়না, সে শুরু করে দেয় তার নাটক.! সে দৌড়ে যায় মিঠির কাছে, আর তারপর সে যেভাবে মিঠি ও মিটিলের উপর আক্রমণ শুরু করলো, সেটা সত্যিই ধারণার বাইরে ছিল। 👀 মানে মৌ এতটাই অসভ্যতামি করছিল যে, শেষে মিঠিকে কান্না থামিয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করে তাকে মৌ-কেই সামলাতে হলো। 😜 আর তারপরেই শুরু হয়ে গেল ঐ অনন্যাও। বাবা রে বাবাঃ তার কি সেই তান্ডব 👀 তাকে যদি কেউ না ধরতো, সত্যি সত্যিই সে বোধহয় মিঠিকে আজকে খেয়েই ফেলতো। 😜 মানে মৌ এবং অনন্যা তো যা করছিল করছিলই.! যেখানে আবার যোগ দিয়েছিল বুবলাই এবং বর্ষাও। 😱 আর মৌ, সে তো বারবার একই কথা বলেই যাচ্ছিল.! প্লুটো কেন তুই চিঠিতে মিঠির নামটা লিখে গেলি না, কেন লিখে গেলি না ইত্যাদি ইত্যাদি.! ঠিক তখনই আর সহ্য করতে না পেরে সর্বজিত বাবু বলেই ফেলল, সর্বজিৎ বাবু বলল, হ্যাঁ লিখে গেছে তো.! তবে হ্যাঁ, মিঠির নাম লিখে যায়নি। এরপর সে অনন্যার দিকে তাকিয়ে বলে, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো কার বা কাদের নাম লিখে গেছে.! আর বোধহয় আমাকে খুলে বলতে হবে না। তিনি অনন্যাকে বলেন, আমি তোমাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু তুমি বাধ্য করছ আমাকে সবটা সবার সামনে আনতে। 😱 এই কথাটা শোনার পরেই অবশেষে সবাই লাইনে চলে আসে। বিশেষ করে ঐ চারমূর্তি, মানে অনন্যা, মৌ, বর্ষা এবং বুবলাই.! 😜
So তোমাদের কি মনে হয়, সর্বজিৎ বাবুর কি প্লুটোর লেখা সুইসাইড নোটটা সর্বসমক্ষে আনা উচিত.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋





