জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় পুরনো সিরিয়ালগুলির মধ্যে “জগদ্ধাত্রী” সিরিয়ালটির ঠিক পরেই নাম থাকবে “ফুলকি” সিরিয়ালটির। জগদ্ধাত্রী সিরিয়ালটি যদি ইতিমধ্যেই ১০০০ পর্ব পার করে থাকে, তাহলে ফুলকি সিরিয়ালটিও ইতিমধ্যে ৮০০ পর্ব পার করে ফেলেছে। 👍
তো সম্প্রতি এই ফুলকি সিরিয়ালে আমরা দেখতে পেয়েছি রুদ্র রোহিতকে গুলি করে মেরে ফেলে। আর ভাগ্যের পরিহাসে রোহিতের হার্টটি এমন এক ব্যক্তির কাছে যায়, যেই ব্যক্তিটিকে দেখতে হুবহু রোহিতের মতোই। 😱 আর স্বাভাবিকভাবেই এটা জানার পর রায়চৌধুরী বাড়ির প্রত্যেকের সাথে সাথে চমকে যায় রুদ্রও। 👀 যদিও রুদ্র পরে কনফার্ম হয়, যে এটা রোহিত নয়। রোহিত হতেই পারে না, এই ছেলেটা সত্যিই অরণ্য। 👍
কিন্তু ঈশিতা এসে রুদ্রকে এটা বোঝায় যে, যেহেতু রুদ্র অফিসিয়ালি মারা গেছে.! তাই এই মুহূর্তে রোহিতের কাছে কোন সলিড প্রমাণ নেই, তাই রোহিত শুধুমাত্র প্রমাণ জোগাড় করার জন্যই এই অরণ্যের ছদ্মবেশে রয়েছে। সেই কারণেই রুদ্রের অবিলম্বে ঐ অরণ্য নামক ছেলেটিকে পরীক্ষা করা দরকার। 👀 ঈশিতার কথা শুনে রুদ্রও বিষয়টাকে গভীরভাবে চিন্তা করে দেখে এবং তিওয়ারিকে অরণ্যের ওপর নজর রাখতে পাঠায়। শুধু তাই নয় এরপর রুদ্র তিওয়ারিকে কিছু লোক পাঠিয়ে ওই অরণ্যকে মারার আদেশ দেয়। 😱 আসলে রুদ্র পরীক্ষা করতে চায় ওই অরণ্য নামক ছেলেটিকে। কারণ যদি ওই ছেলেটি অরণ্য না হয়ে সত্যিই রোহিত হয়ে থাকে, তাহলে ছেলেটি মার খাবে না বরং উল্টে তার পাঠানো গুন্ডাদেরকেই পেটাবে। 👀
সেইমতই আমরা দেখতে পাই কিছু গুন্ডা অরণ্যকে রাস্তায় ঘিরে ধরে এবং প্রচন্ড মারতে থাকে। বেচারা অরণ্য কিছুই করতে পারে না, সে প্রচন্ড মার খেতে থাকে। সেই সময় সেখানে এসে হাজির হয় ফুলকি এবং সে ওই গুন্ডাদের হাত থেকে অরণ্যকে বাঁচায়। 😱
শুধু তাই নয়, এর ফলে ফুলকি রেগেও যায়। কারণ অরণ্য এত বড় একটা ছেলে হয়ে ওই গুন্ডাদের হাতে মার খাচ্ছিল বলে। 👀 ফুলকি অরণ্যকে বলে, হে ভগবান এ আমি কি করেছি.? একটা বাঘের হার্টকে একটা বেড়ালের শরীরে দিয়ে দিয়েছি। 😜🤣
So মনে তো হচ্ছে অরণ্যের এই মার খাওয়া দেখে রুদ্র এবার কনফার্ম হয়ে যাবে, যে ওই ছেলেটি আসলে অরণ্য.! ওই ছেলে কোনভাবেই রোহিত হতে পারে না.! 😱 তো এবার তোমরা বলো, তোমাদের কি মনে হয় ঐ অরণ্য নামক ছেলেটি কি সত্যিই অরণ্যই.? 🤔 নাকি ওই ছেলেটি আসলে রোহিতই.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




