জি বাংলার সিরিয়াল গুলোর মধ্যে “কোন গোপনে মন ভেসেছে” সিরিয়ালটি প্রথম থেকেই দর্শকের মনে একটা আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে সিরিয়ালটি চলার পর অবশেষে এসে উপস্থিত হয়েছে তার অন্তিম সময়ে। এই সপ্তাহে সম্প্রচারিত হবে এই সিরিয়ালটির অন্তিম পর্ব। তাই এই সিরিয়ালের ভিলেনেরও যে পর্দা ফাঁদ হবে, সেটা বোধহয় আর না বললেও চলে.! 👍
তো আমরা বহুদিন ধরে দেখে এসেছি তৃষা শ্যামলীর মুখোশ পরে প্রতিদিন রাতে কিঞ্জলের ঘরে যায় এবং তাকে নানান ভাবে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে উত্ত্যক্ত করে। যদিও শ্যামলীরা এই জিনিসটা বুঝতে পারে, যে তৃষাই কিঞ্জলের ঘরে গিয়ে তার সাথে কিছু একটা করে.? 🤔 কিন্তু তাদের হাতে কোন প্রমাণ না থাকায়, তারা তৃষার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিতে পারে না। 🥹
তবে এবার যখন শ্যামলীকে সাপের বিষ দিয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। আর অনিকেত তাকে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাঁচিয়ে ফিরিয়ে নিয়ে আসে.! তখনই শ্যামলী ঠিক করে নেয় এবং বলে অনেক হয়েছে, আর নয়। এবার ওই তৃষাকে হাতেনাতে ধরতেই হবে। এই বলে সে অনিকেত, মন্দার ও রোহিনীকে নিয়ে একটা প্ল্যান করে। আর তৃষাকে শ্যামলীর সাজে এক্কেবারে হাতেনাতে ধরে ফেলে। 😱
কিন্তু বাড়ির সবাই তো একসাথে দুটো শ্যামলীকে দেখে চমকে যায়। তখন আসল শ্যামলী নিজের হাতে নকল শ্যামলী অর্থাৎ তৃষার মুখোশটা সবার সামনে টেনে খুলে দেয়। 👀 সবাই তো শ্যামলীর মুখোশের আড়ালে তৃষাকে দেখে জাস্ট চমকে যায়। 😱
So তৃষা এবার তো এক্কেবারে হাতেনাতেই ধরা পড়লো। তো কি মনে হয়, এবার কি তাহলে তৃষার একটা শাস্তি হবে.? 🤔 নাকি সে যেহেতু প্রেগন্যান্ট, তাই বরাবরের মতো এবারও তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




