জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় একটি সিরিয়াল হলো “ফুলকি”। সম্প্রতি এই ফুলকি সিরিয়ালেই রোহিত মারা গিয়ে জন্ম নিয়েছে অরণ্য। আর যেহেতু অরণ্য ছেলেটি একেবারে রোহিতের মতোই দেখতে, তাই রুদ্র গুন্ডা পাঠিয়ে অনেকবার পরীক্ষা করার চেষ্টা করেছে যে, ঐ অরণ্য ছেলেটি আদৌ রোহিত কিনা.? যদিও দর্শক ভালো মতোই জানে অরণ্য নামক ঐ ছেলেটি আসলে রোহিতই। 🥰
তো সাম্প্রতিক এপিসোডে আমরা দেখতে পেয়েছি ফুলকির অভিরূপকে নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় সে অংশুমানের সাহায্যে তার আসল ঠিকানা খুঁজে বের করে একা একাই সেখানে চলে যায়। 👀 যদিও অরণ্য সেটা বুঝতে পেরে যাওয়ায় ফুলকির গাড়ির ড্রাইভারকে পরিবর্তন করে সে নিজেই গাড়ির ড্রাইভার সেজে ফুলকির সাথেই চলে যায়। 😱
এর পরেই আমরা দেখতে পাই অভিরূপ রূপী রুদ্রের লোক পিছু নিয়েছে ফুলকির। যদিও ফুলকি এবং ড্রাইভার রুপী অরণ্য দুজনেই সেটা বুঝতে পারে। তাই রুদ্রের ওই লোককে ফাঁকি দিয়ে তারা ঠিক পৌঁছে যায় অভিরূপের আসল ঠিকানাতে। 😱 কিন্তু অভিরূপ রূপী রুদ্র সেখানেই ফুলকির জন্য অপেক্ষা করে বসেছিল। তাই ফুলকিকে সেখানে পেয়ে সে যেভাবে রোহিতের মাথায় পিস্তল ধরেছিল, সেই ভাবেই ফুলকির মাথাতেও পিস্তল ধরে। এরপর অভিরূপ ফুলকিকে বলে, আমি তোমাকে এবং তোমার বংশধরকে শেষ করে দেব। ফুলকির তখন বুঝতে বাকি থাকে না, যে তার স্যারকে এই অভিরুপই গুলি করেছে। 😱
এরপর অভিরূপ যখন ফুলকিকে গুলিটা করতে যায়, তখনই সেখানে হাজির হয় অরণ্য। আর সে রুদ্রের হাতে একটা লাথি মারে। ফলে তার পিস্তল এবং সে নিজে মাটিতে পড়ে যায়। 👀 রুদ্র যখন ঘুরে দেখে যে অরণ্য তাকে লাথিটা মেরেছে, তখন সে চমকে যায়। ওদিকে ফুলকিও অরণ্যের এই রূপ দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। আসলে বিপদের আশঙ্কা করেই ফুলকি ক্রমাগত সাত দিন অরণ্যকে নিজের হাতে ট্রেনিং দিয়েছে যে। তাই তার ছাত্রের এমন কারনামা দেখে, তার তো খুশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। 😍
So এবার কি ফুলকি বুঝতে পারবে, যে এই অভিরূপ নামক শয়তানটা আসলে অভিরূপই নয়.! এই শয়তানটা আসলে তার সাধের জামাইবাবুর রুদ্ররূপ সান্যাল.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




