জি বাংলার এই মুহূর্তের সবথেকে জনপ্রিয় সিরিয়ালগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো “পরিণীতা”। সম্প্রতি এই সিরিয়ালে আমরা দেখতে পেয়েছি বাড়িতে দাদু, পিসিমণি, রায়ান, রায়ানের বাবা, কাকা এরা যখন কেউ ছিল না.! সেই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে পারুলকে দোকানের গয়না চুরির কেসে ফাঁসিয়ে দেয় পারুলের বোন টগর, রায়ানের মা, মল্লারের মা ও দিদি এবং শিরিন মিলে। মানে তারা এমনভাবে প্ল্যান করে পারুলকে ফাঁসায়, যে সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যাচ্ছে পারুলই গয়নাটা চুরি করেছে। 😱
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!যদিও কাকা যখন এটা জানতে পারেন তখন তিনি কিছুতেই এটা বিশ্বাস করে না। কারণ তিনি ভালো করেই জানে আজকাল এইরকম ভিডিও খুব সহজে বানানো যায়। আর তিনি নিজেও এইরকম একটা কেসে ফেঁসে গিয়েছিলেন। 👀 তাই তিনি ঠিক করেন দাদু যখন বাড়িতে ফিরে আসবেন তারপরে এটার ফয়সালা হবে। 👍
কিন্তু রায়ানের মা কোন কথা না শুনেই পুলিশকে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। ফলে পুলিশ এসে গ্রেপ্তার করে নিয়ে চলে যায় পারুলকে। 🥹 এরপরে স্বাভাবিকভাবেই যখন কাকা এটা জানতে পারে, তখন রায়ানের মা, টগর সবাইকে নিয়ে থানাতে আসে। তিনি কোন মতে রায়ানের মাকে রাজি করিয়ে নেন কেসটা তুলে নিতে। 👍

কিন্তু পারুল স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সে কোনমতেই কেউ কেস তুলে নিলেই ফিরে যাবে না। পারুল বলে আজকে যদি কেসটা তুলে নেওয়া হয় এবং আমি বাড়ি ফিরে যাই, তাহলে এটাই প্রমাণিত হয়ে যাবে, যে চুরিটা আমি করেছি। কিন্তু আমি তো চুরিটা করিনি, তাই কেস তুলে নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে তারপরে স্বসম্মানে বাড়ি ফিরে যাব। শুধু তাই নয়, যারা আসল অপরাধী, তাদের প্রত্যেককে শাস্তি দেব। 😱
কিন্তু তার সাথে পারুল মল্লারকে এটাও বলে দেয়, সে যেন কোনোভাবেই এই খবরটার রায়ানকে না দেয়.! কারণ রায়ান যদি এই খবরটা পায় তাহলে সে সবকিছু ছেড়েছুড়ে বাড়ি ফিরে আসবে। ফলে তার এতদিনের স্বপ্ন সব অসফল হয়ে যাবে। তাই পারুল কোনমতেই চায় না রায়ান এই খবরটা পাক। 😱
So কি মনে হয়, পারুল কি লকআপের ভেতরে থেকে এত সহজে প্রমাণ করতে পারবে, যে চুরিটা সে করেনি। চুরিটা অন্য কেউ করে তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




