জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালটিতে একের পর এক চমক ঘটেই চলেছে। বিশেষ করে যবে থেকে দাদু অসুস্থ হয়ে পড়ে রয়েছে এবং এখন যখন রায়ান স্কলারশিপ পেয়ে লন্ডনে পড়তে গেছে, তখন থেকেই। সম্প্রতি আমরা দেখতে পেয়েছি পারুল দাদুর থেকে পারমিশন আদায় করে তড়িতা বৌদিকে গয়নার দোকানে বসতে পাঠায়। আর পারুল দাদুকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, কোন সমস্যা হলে সে দেখে নেবে। 👍

এখন তো মনে হচ্ছে পারুলের দেওয়া এই কথাটাই পারুলের জীবনে কাল হয়ে উঠেছে। কারন আমরা দেখতে পাচ্ছি তড়িতা বৌদির দোকানে বসার প্রথম দিনই শিরিন ছদ্মবেশে তার দুই বান্ধবীকে নিয়ে হাজির হয় গয়নার দোকান। তারপর সে সবার চোখের আড়ালে গয়নার দামের ট্যাগের বদলা বদলি করে দেয়। যেই গয়নার দাম ২ লাখ টাকা, তার জায়গায় ১ লক্ষ ৪০ হাজারের গয়নার দাম বসিয়ে দেয় তারা। ফলে সেই গয়না বিক্রি হয়ে গেলে ৬০ হাজার টাকা ক্ষতি হয় তাদের। 😱 সেই কথাটা ছোট কাকু পারুলকে এসে জানালে পারুল কথা দেয়, সে এই টাকাটা উদ্ধার করেই ছাড়বে। 👀
কিন্তু এরপরে আবার একটা নতুন প্রোমো বা বলতে পারো এপিসোড কাটে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বসু বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। আর টগর সবার সামনেই পুলিশকে বলে দোকানের গয়না চুরি করেছে পারুল। আর টগরের কথার উপরে ভিত্তি করেই পারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 😱 কিন্তু বারণ যাওয়ার আগে টগরকে সাবধান করে বলে যায়, বাবা ভুবনেশ্বরকে ডাক আমি যেন ছাড়া না পাই.! আমি যদি ছাড়া পাই, তাহলে তোর কপালে কিন্তু খুব দুঃখ আছে। 👀

So আমরা তো স্পষ্ট দেখতে পেলাম শিরিন ছদ্মবেশে তার বান্ধবীদের নিয়ে এসে গয়নার দোকানে দামের হেরফের করেছে। তাহলে এখানে আবার গয়না চুরির প্রসঙ্গ আসছে কেন.? 🤔 তাহলে টগর ও রায়ানের মা-ই কি এমন কিছু করেছে, যার ফলে পারুল ফেঁসে গেছে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




