জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “ফুলকি” সিরিয়ালটি এই মুহূর্তে দারুন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আসলে ইতিমধ্যেই আমরা দেখতে পেয়েছি ফুলকিকে ক্রীড়া মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়ে কাজে যোগ দিতে। 😱
কিন্তু তার এই ক্রীড়া মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেওয়াটা অনেকেই আবার ভালোভাবে মেনে নিতে পারেনি। সেই দলে রুদ্র থেকে শুরু করে যেমন তার দলের সিনিয়ার মেম্বাররা রয়েছে.! তেমনি ফুলকির ক্রীড়া দপ্তরের কিছু অসৎ আধিকারিকও রয়েছে। 👀 রুদ্র যেমন একদিকে ওই অরণ্য দাশগুপ্তকে সে যে আদৌ রোহিত কিনা পরীক্ষা করার জন্য বারবার তার উপর হামলা চালাচ্ছে.! উল্টো দিকে অসৎ উপায়ে পাস হওয়া টেন্ডার ফুলকি বাতিল করার ফলে সেখানেও ফুলকির ওপর হামলা হচ্ছে। 😱 এই টেন্ডার বাতিলের কেসে তো গুলি পর্যন্ত চলে গিয়েছে। আর সেই গুলি অরণ্যরূপী রোহিত কিন্তু নিজের কাঁধে আবার নিয়ে নিয়েছে। 👀 ফলে রায় চৌধুরী বাড়ির সবাই মিলে অরণ্যকে এবার তাদের সাথে রায়চৌধুরী বাড়িতেই রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 😱

এদিকে আবার দেখতে পাচ্ছি অভিরূপ রুপী রুদ্র নতুন কোন এক পরিকল্পনা বানিয়ে একেবারে মিষ্টির হাঁড়ি নিয়ে হাজির হয়েছে রায় চৌধুরী বাড়িতে ফুলকির সাথে দেখা করতে। 👀 সেখানে পৌঁছে সে ফুলকিকে জানাচ্ছে, যে সে এখন চায় সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে রাজমহলের হয়ে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে। শুধু তাই নয় এই বলেই রুদ্র নিজের হাতে সেই মিষ্টি দেখছি ফুলকিকেও খাইয়ে দিতে যাচ্ছে.! 😱 তবে রুদ্রের সেই চেষ্টা অবশ্য সফল হয়নি। কারণ তখনই সেখানে এসে উপস্থিত হয় অরণ্য এবং সে নিজে ওই মিষ্টি রুদ্রের হাত থেকে নিজের মুখে পুরে নেয়। 👀 অভিরূপ যখন বলে, এটা কি হলো.? 🤔 তখন অরণ্য বলে, এই মুহূর্তে কাউকে বিশ্বাস করা যায় না.! কারণ বারবার ফুলকি ম্যাডাম এবং তার সন্তানকে মেরে ফেলা চেষ্টা হচ্ছে। কে বলতে পারে যে এই মিষ্টিতে বিষ মেশানো নেই.? 👀 অরণ্যের মুখে এই কথা শুনেই চমকে যায় অভিরুপ রুপী রুদ্র। 😱 ওদিকে ফুলকিও অভিরূপের দিকে কটমট করে তাকিয়ে থাকে। 😜
So রুদ্র সত্যিই কি তাহলে ওই মিষ্টি খাইয়ে ফুলকি ও তার সন্তানকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল, নাকি ওই মিষ্টিতে কিছুই ছিল না.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




