স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল গুলোর মধ্যে “চিরসখা” অন্যতম। বৌঠান ও ঠাকুরপোর প্রেম এবং এক ছেলেকে নিয়ে দুই বোনের টানাটানিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে এই সিরিয়ালের গল্প। সম্প্রতি এই দুই বোন মৌ এবং মিঠির প্রেমিক প্লুটো মৌয়ের সাথে তার বিয়ের দিনই বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে। আর সে আত্মহত্যা করার আগে লিখে যায় একটা নোট। 👀 কিন্তু সেই নোটে প্লুটো তার মাকেই দায়ী করায় নতুন কাকু ও প্লুটোর বাবা সেই নোটটি পাবলিক করতে চায়নি। 😱 কিন্তু এদিকে প্লুটোর মা, মৌ এবং মৌয়ের মা প্লুটোর এই মৃত্যুর জন্য কমলিনী ও মিঠিকেই দায়ী করতে থাকে। 🥹
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি থেকে প্লুটোর উদ্দেশ্যে একটা স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে মিঠি ও তার মা-ও উপস্থিত হয়। কিন্তু সেটা একেবারেই সহ্য করতে পারে না মৌ। সেই এই সুযোগটাকেই কাজে লাগায়। স্মরণ সভায় প্লটোর উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে সে তার মৃত্যুর জন্য মিঠিকেই দায়ী করতে থাকে। নতুন কাকু তার ভদ্রতা বজায় রেখে সবাইকে এটা বোঝানোর চেষ্টা করে, যে প্লুটোর এই মৃত্যুর জন্য কোনভাবেই মিঠি বা তার মা দায়ী নয়। কিন্তু এই কথাটা কোনভাবেই মৌ, প্লুটোর মা এবং মৌয়ের মা মানতে পারেনা। তারা সেই স্মরণ সভার এতগুলো লোকের মাঝেই খোলাখুলি ভাবে মিঠিকে অপমান করতে থাকে। তারা সরাসরি মিঠিকেই প্লুটোর মৃত্যুর জন্য দায়ী করে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের এই হাঙ্গামার ফলে এই স্মরণ সভা কোনভাবেই আর স্মরণসভা হয়ে থাকে না। এই স্মরণ সভা পরিণত হয় প্লুটোর মা, মৌ এবং মৌ-এর মায়ের একটা সার্কাসে। 🥹
So তোমাদের কি মনে হয় না, প্লুটো ছেলেটা হয়তো কোথাও না কোথাও ওপর থেকে তার মা এবং মৌ-কে দেখছে আর হয়তো মনে মনে বলছে.! আমি যখন জীবিত ছিলাম তখনও শান্তি ছিল না.! আর আমি এখন মরে গেছি, তাতেও তোমাদের শান্তি নেই। 🥹💔




