শিরিনের মায়ের প্ল্যানে এবার পারুলকে এনকাউন্টার করার সিদ্ধান্ত পুলিশের.! এবার তাহলে কি হবে পারুলের.? কে বাঁচাবে তাকে এই এনকাউন্টারের হাত থেকে.? 😱

জি বাংলা এবং এই মুহূর্তে পশ্চিমবাংলার সবথেকে জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে এই মুহূর্তে চলছে টানটান উত্তেজনা। যেখানে সম্প্রতি আমরা দেখতে পেয়েছি জঙ্গি সন্দেহে পারুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। 😱 স্বাভাবিকভাবেই এটা শুনেই চমকে যায় বসু বাড়ির সবাই। 👀 কিন্তু এখানে চমকের যে আরো বাকি ছিল, সেটা অতি বড় দর্শক থেকে শুরু করে বসু বাড়ির কেউই কিন্তু আন্দাজ করতে পারেনি। 😱

আসলে বসু বাড়ির সবাই যখন জানতে পারে পারুলের গ্রেফতারের কথাটা.! তখন স্বাভাবিকভাবেই সবার আগে থানায় ছুটে যায় রায়ান। তার সাথে সাথে সেখানে যায় রায়ানের বাবা, কাকা এবং মল্লারও.! 👍 কিন্তু থানায় গিয়ে তারা জানতে পারে যে পারুলকে ইতিমধ্যেই কোর্টে তোলা হয়ে গেছে। 👀 স্বাভাবিকভাবেই সেটা শুনেই রেগে যায় রায়ান। আর তখনই আমরা দেখতে পাই পুলিশ পারুলের সাথে সাথে ওই বাকি চার জঙ্গিকেও নিয়ে পুনরায় হাজির হয়েছে থানায়। কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হচ্ছে আদালত পুলিশকে তদন্ত করার জন্য মাত্র দুদিন সময় দিয়েছে। 👍

এরপর রায়ানেরা পারুলের সাথে দেখা করতে চাইলে পুলিশ তাদের মানা করে দেয়। কিন্তু এরপর অনেক অনুনয়-বিনয় করার পর শুধুমাত্র রায়ানকেই পারুলের সাথে দেখা করতে দেয় পুলিশ। এরপর রায়ান পারুলকে চিন্তা করতে মানা করে এবং তাকে সাহস যোগায়। তারা এরপর উকিলের সাথে কথা বলে আদালতে পারুলের হয়ে কেসটা লড়ার জন্য। 👍 কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, পারুলকে এমনভাবেই ফাঁসানো হয়েছে যে, সে চারিদিক থেকেই এক্কেবারে ফেঁসে গেছে। আর এইসবের মাস্টার মাইন্ড হচ্ছে স্বয়ং শিরিনের মা। 😱

আসলে সে পারুলকে তো শুধুমাত্র ফাঁসাইনি। সে পারুলকে এমন ভাবে চারিদিক থেকে ঘিরে ধরেছে, যে পারুল আর হাজার চেষ্টা করলেও সেখান থেকে বেরোতে পারবে না। 👀 মানে শিরিনের মা সেদিন রাতে ওই গুন্ডাদের দিয়ে শুধুমাত্র পারুলের রুমে চিঠিই রেখে আসেনি.! তার সাথে এই গুন্ডাগুলো পারুলের ফোন ক্লোন করে তার ফোন থেকেই জঙ্গিদের নামে এমন মেসেজ পাঠিয়েছে, যেটা দেখলে মনে হবে পারুল হচ্ছে এই দলের লিডার। স্বাভাবিকভাবেই এই প্রমাণের ওপর ভিত্তি করেই এই মুহূর্তে পুরো কেশটা দাঁড়িয়ে রয়েছে। 😱 যদিও রায়ানেরা কেউ বুঝতেই পারেনি এটা কি করে হলো.? 🤔

এরপর আমরা দেখতে পাচ্ছি রায়ান, মল্লার, রাকা, রুকু ও গোপাল মিলে প্রতিজ্ঞা করে, যেই করেই হোক পারুলকে নির্দোষ প্রমাণ করবেই। 👍 কিন্তু সমস্যা হচ্ছে অন্যদিকে আবার আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে ওপর মহলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশ আবার পারুলসহ ওই বাকি চারজনকে এনকাউন্টারের প্ল্যান করছে। 😱 আর ইন্টারেস্টিংলি যখন পারুলদের রাতের বেলায় এনকাউন্টার করার জন্য বের করে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন পারুল পুলিশদের কথা শুনে সেটা বুঝতে পেরে যায়। 👀

So এখানে ওপর মহল থেকে যে এমনি এমনি অর্ডার আসেনি, সেটা কিন্তু ভালো মতোই বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু এখন শুধু এটাই দেখার, যে ওপর মহলে চাপটা দিয়েছে কে.? 🤔 শিরিনের মা-ই দিয়েছে, নাকি সত্যি সত্যিই সরকার এইরকম জঙ্গিদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে চাইছে না বলেই এই অর্ডারটা দিয়েছে.? 🤔 তার সাথে এখন এটাও দেখার, এই এনকাউন্টারের হাত থেকে পারুল কি করে বাঁচে.? 🤔 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, কে বাঁচাবে পারুলকে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates