পারুলের ঐতিহাসিক কাজের সামনে থেমে গেল রায়ানের ইগো। সবার সামনে পারুলকেই সেরার সেরা ঘোষণা করলো রায়ান.! 👑😱

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “পরিণীতা” সিরিয়ালে কিছুদিন যাবৎ একটা বিষয় নিয়ে দর্শক কনফিউজড ছিল, যে সেরার সেরা আসলে কে.? 🤔 একচুয়েলি ইউনিভার্সিটি রেজাল্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে রায়ান ও পারুল দুজনেই হচ্ছে যুগ্মভাবে সেরা। 👍 কিন্তু রায়ান আবার সেটা মেনে নিতে পারেনি। তার পয়েন্ট ছিল, যে সেরা একজনকেই হতে হবে। দুজন কখনো সেরা হতে পারে না। তাই তাদের যেন আবারও একবার পরীক্ষা নেওয়া হয়। 😱

কিন্তু এটা তো আর সম্ভব নয়। সেই কারণেই ডিন স্যার তাদের কাছে প্রাক্টিক্যালি একটা অন্যরকম পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করে.! ডিন স্যার পারুল ও রায়ান দুজনকেই একটা করে টাস্ক দেয়। তাদেরকে বলা হয় তাদের কাছে ৭ দিন সময় থাকলো.! এই ৭ দিনের মধ্যেই যেন তারা আলাদা আলাদা ভাবে ইউনিভার্সিটির জন্য এমন কিছু করে দেখায়, যেটা ইতিহাস হয়ে থেকে যাবে.! আর সেটা পরবর্তী প্রজন্মের কাজে লাগবে। 👍

সেইমতো আমরা দেখতে পাই রায়ান সমগ্র ব্রাইট মাইন্ড ইউনিভার্সিটিতে সোলার প্যানেল বসিয়ে দেয়। সাথে সে সম্পূর্ণ ইউনিভার্সিটিটাকে ইকো ফ্রেন্ডলি বানিয়ে দেয়। 😱 তবে পারুল যে তার থেকে আরো ১০ ধাপ এগিয়ে এমন কিছু করে ফেলবে, সেটা রায়ান কেন, অন্য কেউ কল্পনা করতে পারেনি। 👀 আসলে আমরা দেখতে পাই পারুল এমন একটা কাজ করেছে, যার সুফল শুধু আগামী দু-একটা প্রজন্মই নয়, অনেক অনেক প্রজন্ম ধরে তার সুফল পাবে। 😱

আসলে পারুল ডিন স্যার ও VC ম্যাডামের সাহায্যে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীকে সাথে নিয়ে তাদের বাঁকুড়া জেলায় ব্রাইট মাইন্ড ইউনিভার্সিটির নতুন একটি ক্যাম্পাস খোলার ব্যবস্থা করে। 😱 তার এই কাজের জন্য সরকার ব্রাইট মাইন্ড ইউনিভার্সিটিকে ১০ একর জমিও দান করে। শুধু তাই নয়, এরপর সেখানে ধুমধাম করে পারুল সেই ইউনিভার্সিটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে। 😱

স্বাভাবিকভাবেই আর কোন সন্দেহ থাকে না, যে কে আসলে ব্রাইট মাইন্ড ইউনিভার্সিটির ২০২৫ সালের ব্যাচের সেরার সেরা। 👍 যদিও ডিন স্যার মনে করেন পারুল এবং রায়ান দুজনেই সেরা। তাই তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেন না। তখনই সামনে এগিয়ে আসে রায়ান নিজে। সে হাতে তুলে নেয় মাইক্রোফোন এবং সবার সামনে পারুল ও তার কাজের মহত্বের প্রশংসা করে। সে সবাইকে মনে করিয়ে দেয়, পারুল যেটা করেছে সেটা সত্যিই অকল্পনীয়। পারুলের কাজের কাছে তার ওই সোলার প্যানেল বসানোর কাজটা নগণ্য মাত্র। তাই সে নিজেই ঘোষণা করে, যে পারুলই হচ্ছে ব্রাইড মাইন্ড ইউনিভার্সিটির ২০২৫ সালের ব্যাচের সেরার সেরা। 😱 স্বাভাবিক ভাবেই রায়ানের মুখ থেকে এই কথা শুনে চমকে যায় পারুল। চমকে যায় সেখানে উপস্থিত সকলেও। শুধু তাই নয় চমকে যায় স্ক্রিনের অপর প্রান্তে বসে থাকা সমগ্র দর্শক মহলও। 🥰 একচুয়ালি চমকানোটাই তো স্বাভাবিক। কারণ যে রায়ান প্রথম হওয়ার জন্য পারুলকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে রাজি ছিল না.! সে নিজেই কিনা এইভাবে সবার সামনে পারুলকে বিজয়ী ঘোষণা করলো। 😱

So এবার তাহলে দেখাই যাক, এই রেজাল্টের পরে রায়ানের পারুলের সাথে সব সময় কম্পিট করার ভূত এখনো থাকে কিনা.? সে এটা বুঝতে পারে কিনা, যে সব সময় সব জায়গায় কম্পিটিশন করতে নেই.! কম্পিটিশন টাকে কম্পিটিশনের জায়গাতেই সীমাবদ্ধ রাখতে হয়, আর পার্সোনাল লাইফটাকে পার্সোনাল লাইফের জায়গাতেই। 👍 তোমাদের কি মনে হচ্ছে, রায়ান কি আদৌ এই পার্থক্যটা বুঝতে পারবে.? 🤔 অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates