জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় “তারে ধরি ধরি মনে করি” সিরিয়ালটা এই মুহূর্তে এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে, যেখানে দিতির বিপদ যেন কিছুতেই তার পিছু ছাড়ছে না.! সে যেটাই করতে যাচ্ছে, সেখানে কোন না কোন বিপদ তার পেছনে পড়ে রয়েছে.! বাড়ির ভেতরে যদি তার সেই বিপদ হচ্ছে কুন্তলের কারণে, তাহলে অবশ্যই বাড়ির বাইরে তার জন্য বিপদ নিয়ে আসছে পুলস্ত্য.! অবশ্য তার এই বিপদের জন্য তার শ্বাশুড়ির অবদানও কিন্তু কম নয়.! 👍
আসলে সাম্প্রতিক এপিসোডেই আমরা দেখেছিলাম দিতির বাড়ির খাবার খেতে ভালো না লাগায় সে গোরার থেকে কিছু টাকা চায়। কিন্তু তখনই গোরার মা তাকে ওই টাকা নিয়ে খোঁটা দেয়। ফলে দিতি ঠিক করে নেয় সে এবার নিজে ইনকাম করবে। তাই সে চাকরির জন্য আবেদন করা শুরু করে দেয়। স্বাভাবিকভাবেই সেই কথাটা কুন্তল জানিয়ে দেয় পুলস্ত্যকে। 😱
এরপর পুলস্ত্য হিয়ার সাহায্যে দিতিকে চাকরির টোপ দেয়। ফলে গোরার বাধা সত্বেও কুন্তলের সাহায্যে লুকিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় দিতি। কিন্তু সে বেচারি জানতই না যে বাইরে তার জন্য কি বিপদ অপেক্ষা করছে.! 👀
যদিও এরপর গোরা যখন সবটা বুঝতে পারে, সে তখন দিতিকে ট্র্যাক করে তাকে ফিরিয়ে আনতে বেরিয়ে পড়ে। 👍
এদিকে দিতি পুলস্ত্যর দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে বুঝতে পারে যে, তাকে ফাঁসানো হয়েছে। কিন্তু সে কিছু করার আগেই তাকে পুলস্ত্য বেহুঁশ করে দেয়। 👀 এরপর তার যখন জ্ঞান ফিরে, তখন সে নিজেকে একটি চেয়ারে বাঁধা অবস্থায় পায়.! যেখানে ডাক্তারের সাহায্যে এক্সপেরিমেন্ট করে পুলস্ত্য তার স্মৃতি ফেরানোর চেষ্টা করছে। 😱
অন্যদিকে আমরা দেখতে পাই দিতির লোকেশন ট্র্যাক করে সেখানে এসে হাজির হয়েছে গোরাও। তবে যেখানে দিতির লাস্ট লোকেশন দেখাচ্ছিলো, সেখানে কিন্তু গোরা তাকে খুঁজে পায় না.! স্বাভাবিকভাবেই দিতিকে খুঁজে না পেয়ে চিন্তায় পড়ে যায় গোরা.! 😱
So এখন শুধু এটাই দেখার, পুলস্ত্য দিতির সাথে খারাপ কোন এক্সপেরিমেন্ট করার আগেই গোরা তাকে খুঁজে পায়.? 🤔 নাকি ওই এক্সপেরিমেন্টের ফলে সত্যি সত্যিই দিতির স্মৃতি ফিরে আসে.? 🤔 নাকি হয়ে যায় হিতে বিপরীত.? 🤔তোমাদের কি মনে হচ্ছে, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋




