জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক “জোয়ার ভাঁটা” এই মুহূর্তে এমন এক জায়গায় পৌঁছে গেছে, যেখানে একের পর এক চক্রান্ত আর পাল্টা চালেই গল্প জমে উঠেছে। সাম্প্রতিক এপিসোডে যা দেখানো হয়েছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে এবার মুখোমুখি সংঘর্ষ অনিবার্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম, ঋষির দিদি ঐশী নিজের মায়ের আলমারি থেকে গয়না চুরি করতে গিয়ে উজির হাতে ধরা পড়ে। আর সেটার বদলা নিতেই সে মেসোর সাহায্যে উজিকে বিষ দিয়ে মারার চেষ্টা করে। যদিও উজি প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু সাময়িকভাবে তার কথা বলার ক্ষমতা চলে যায়।
কিন্তু এখানেই থেমে থাকেনি ঐশী। বরং আরও বড় চক্রান্ত শুরু করে সে। এবার তার টার্গেট একটাই, উজিকে এই বাড়ির কাছে অযোগ্য প্রমাণ করা। সে প্রমাণ করতে চায়, উজি পুলিশ হওয়ার পর থেকেই ব্যানার্জি বাড়িতে একের পর এক বিপদ নেমে আসছে, মানে উজিই এই বাড়ির অশান্তির কারণ।
এই প্ল্যান সফল করতে ঐশী দুজন গুন্ডাকে ভাড়া করে। তাদেরকে নির্দেশ দেয়, যেন তারা তার বাবা মায়ের ঘরে ঢুকে বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখায় এবং উজির নাম জড়িয়ে পুরো ঘটনার দায় তার উপর চাপায়। গল্পটা এমনভাবে সাজানো হয়, যে উজি তাদের বিরুদ্ধে অ্যাকশান নিয়ে তাদের অনলাইন স্ক্যামিংয়ের ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছিল, তাই তার বদলা নিতেই তারা এসেছে।
কিন্তু ঐশী এখানে একটা বড় ভুল করে ফেলে। সে ভুলে যায়, উজি আর আগের মতো সাধারণ মেয়ে নেই, সে এখন একজন পুলিশ অফিসার। আর সেই বুদ্ধি আর উপস্থিত বুদ্ধিই এবার গল্প ঘুরিয়ে দিতে চলেছে। উজি সরাসরি তার শাশুড়িকে কথা দেয়, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সে প্রমাণ করে দেবে এটা একটি সাজানো চক্রান্ত এবং কে এর পিছনে আছে তাকে সামনে আনবে। আর যদি তা করতে না পারে, তাহলে সে নিজেই এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে।
এরপর শুরু হয় আসল খেলা। উজি জিৎ বসুর সঙ্গে হাত মিলিয়ে তদন্তে নেমে পড়ে। ঐশী যেই ফোন থেকে গুন্ডাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল, সেই নম্বর ট্র্যাক করার কাজ শুরু হয়।
প্রিক্যাপে দেখা যাচ্ছে, জিৎ বসু ব্যানার্জি বাড়িতে এসে সবাইকে জানায়, ওই দুই গুন্ডার মধ্যে একজন ধরা পড়েছে। শুধু তাই নয়, তদন্তে এটাও পরিষ্কার হয়েছে যে এই পুরো ঘটনার সঙ্গে এই বাড়িরই কেউ জড়িত। এবং সবচেয়ে বড় তথ্য, এই কাজটা করেছে একজন মহিলা।
এখানেই গল্পে তৈরি হয়েছে তীব্র উত্তেজনা। কারণ উজি এবং জিৎ বসু যে সত্যিটা অনেকটাই জেনে গেছে, তা স্পষ্ট। এখন শুধু দেখার বিষয়, তারা কি প্রমাণসহ সবাইকে জানাতে পারবে যে এই চক্রান্তের পিছনে রয়েছে ঐশী। আর যদি সত্যিটা সামনে এসে যায়, তাহলে ঐশীর মা বাবা কি সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।



