জয়ন্ত-শান্তির বিয়ে অবশেষে পাকা, শ্বশুরমশাইয়ের চালে একেবারে মাত হয়ে গেলেন বংশী ভট্টাচার্য! কিন্তু মদন কি চুপ করে বসে থাকবে, নাকি বিয়ের আগেই ফাঁস করে দেবে সব?

স্টার জলসার নতুন সিরিয়াল “সংসারের সংকীর্তন” শুরু থেকেই কিন্তু ভালোই ইন্টারেস্ট তৈরি করে ফেলেছে। গল্পটা উত্তর কলকাতার একটা বনেদী ঘটি বাঙালি পরিবারকে কেন্দ্র করে।এই পরিবারের কর্তা বংশী ভট্টাচার্য—একজন একেবারে গোঁড়া মানসিকতার মানুষ। যার কাছে বংশপরিচয়, শিক্ষা আর ঘটি বাঙালি হওয়াটা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এবার তিনি চান তার বড় ছেলে জয়ন্ত ভট্টাচার্যের বিয়ে দিতে। যে পেশায় একজন ডাক্তার। কিন্তু এখানেই আসল টুইস্ট। জয়ন্ত প্রেম করে শান্তি রায় নামের এক মেয়ের সাথে। আর শান্তি কিন্তু বাঙাল পরিবারের মেয়ে—আর এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।

তার উপর শান্তি আবার সেই টাইপের শান্তশিষ্ট মেয়ে না, যেরকম বৌমা বংশী বাবু চান। সে ভীষণ প্রতিবাদী, আধুনিকা, আর সত্যি কথা বলতে একদম সামনে বলতে ভয় পায় না। এবার আসি আসল মজার জায়গায়।

বংশী বাবুর শ্বশুরমশাই—যিনি একসময় তার হেডমাস্টার ছিলেন—আজও তার উপর এমন প্রভাব রাখেন, যে বংশী বাবু তাকে ভীষণ ভয় করে চলেন। আর এই শ্বশুরমশাই কিন্তু জয়ন্ত-শান্তির বিয়ের পক্ষে। তিনি একটা প্ল্যান করে বংশী বাবুকে বলেন—তিনি জয়ন্তর জন্য একটা মেয়ে ঠিক করেছেন, আর সেই মেয়ের সাথেই বিয়ে হবে। এরপর আবার অসুস্থতার নাটক করে পুরো ব্যাপারটাকে এমন জায়গায় নিয়ে যান, যেখানে বংশী বাবু বাধ্য হয়ে এই বিয়েতে রাজি হয়ে যান।

তারপর শুরু হয় কনে দেখার পালা। বংশী বাবু নিজের ছেলে আর বাড়ির লোকেদের নিয়ে হাজির হয় শান্তির বাড়িতে। অনেক কিছুই তার পছন্দ হয় না ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শ্বশুরমশাইয়ের চাপে বিয়েটা পাকা করতে রাজি হয়ে যায়।

কিন্তু এখন আসল প্রশ্নটা এখানে—কনে দেখা তো হয়ে গেল, কিন্তু বিয়েটা কি আদৌ হবে? কারণ এখানে আছে আরেকটা বড় বাধা—বংশী বাবুর ভাগ্নে মদন। সে কিন্তু চায় জয়ন্তর বিয়ে তার পছন্দের মেয়ের সাথে হোক। মানে সে যে এই বিয়েতে কাঁটা বসাবে, সেটা একদম নিশ্চিত।

আর যদি কোনোভাবে শান্তির বাঙাল হওয়ার সত্যিটা বেরিয়ে যায়…তাহলে তো পুরো খেলাই ঘুরে যাবে! 🔥

Leave a Comment

Latest Updates