‼️🤔 জোনাকি কি সত্যি সত্যিই মারা গেছে, নাকি এই নতুন রহস্যময়ী মহিলাই আসলে জোনাকি.? 🤔‼️

রঘু ডাকাতকে এক্সপোজ করার পরিবর্তে জোনাকিকে যে নিজের জীবন দিয়ে দিতে হবে, সেটা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও কল্পনা করতে পারেনি ধ্রুব মিত্তির। 😱

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জি বাংলার “মিত্তির বাড়ি” সিরিয়ালের রিসেন্ট পর্বে আমরা দেখতে পেয়েছি, জোনাকি এবং মিত্তির বাড়ির সকলে মিলে রঘু রায়ের জন্মদিনেই সবার সামনে রঘু ডাকাতকে এক্সপোজ করে দেয়। 😱 জোনাকি সকলের সামনে এটা প্রমাণ করে দেয় যে, রঘু রায়ই তার বাবাকে খুন করেছিল এবং তার মাকে জেলে পাঠিয়েছিল। শুধু তাই নয়, সাথে জোনাকি ঝিমলির মাধ্যমে এটাও প্রমাণ করে দেয় যে, সম্বিৎ চৌধুরীকে বদনাম করতে রঘুই ঝিমলিকে হাতিয়ার করে তার কাছে পাঠিয়েছিল। কারণ সম্বিৎ চৌধুরী যেই বুলেট প্রুপ জ্যাকেটের কোম্পানিকে বন্ধ করিয়েছিল, সেটা আসলে রঘু রায়েরই ছিল। আর এরপর যখন জোনাকি এবং ধ্রুব মিলে সম্বিৎ চৌধুরীকে বাঁচিয়ে নেয়, তখন রঘু প্রথমে ধ্রুবর হাত দিয়েই বিষ খাইয়ে জোনাকিকে মারতে চেয়েছিলো.! আর পরবর্তীতে ধ্রুবকে কিডন্যাপ করে খুন পর্যন্তও করতে চাইছিল। 😱

কিন্তু এত কিছুর পরেও দমে না গিয়ে রঘু জোনাকিকে এক্কেবারে শেষ করে দেওয়ার আবারও একটা প্ল্যান করে। এরপর জোনাকি যখন ধ্রুবর সাথে কথা বলতে বলতে একটা ট্যাক্সিতে ওঠে, তখনই ওই ট্যাক্সির চালক কায়দা করে ট্যাক্সি থেকে বেরিয়ে আসে। আর আমরা এরপরেই দেখতে পাই একটা খতরনাক বিস্ফোরণে পুরো ট্যাক্সিটা পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। 👀

এরপর স্বাভাবিকভাবেই ভেঙ্গে পড়ে ধ্রুব। সে কিছুতেই জোনাকির দেহ সনাক্ত করতে চায় না। যে মানতেই চায় না যে ওটা জোনাকিরই দেহ। কিন্তু শ্যামসুন্দর বাবু জোনাকির দেহর সাথে জোনাকির মায়ের DNA পরীক্ষার রিপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুবকে এটা বোঝায়, যে জোনাকি আর সত্যি সত্যিই বেঁচে নেই। 🥹

এরপরে আমরা দেখতে পাচ্ছি, নতুন একজন মহিলার এন্ট্রি হয়েছে.! আর সে ধ্রুব মিস্ত্রিকে খুঁজে খুঁজে তার চেম্বারেই এসেছে। আর যেভাবে এখানে ওই নতুন মহিলাকে ইন্ট্রোডিউস করানো হলো, মনে তো হচ্ছে এই মহিলাই নতুন নায়িকা হতে চলেছে.? 🤔

So এবার দেখাই যাক, এই মহিলা সত্যিই নতুন কোন চরিত্র, নাকি প্লাস্টিক সার্জারি করিয়ে জোনাকিকে নতুনভাবে ফিরিয়ে আনা হয়েছে.? 🤔🤔

Leave a Comment

Latest Updates