‼️😱 অভিরূপ সামন্তই যে আসলে রুদ্র রূপ সান্যাল, চাপের মুখে পড়ে সেটা স্বীকার করে নিলো ঈশিতা.! 😱‼️

জি বাংলার অন্যতম একটি পুরনো এবং জনপ্রিয় সিরিয়াল হলো “ফুলকি”। সেই সিরিয়ালেই এই মুহূর্তে আমরা দেখতে পাচ্ছি, ঈশিতাকে হাতেনাতে ধরার জন্য ফাঁদ পাতে অরণ্য ও ফুলকি। যদিও সেটা বুঝতে পেরে যায় ছোট রাজকুমার। সে ফুলকিদেরকে ফাঁকি দিয়ে ছদ্মবেশে রাজমহলের বিখ্যাত বিশ্বকর্মা পুজোর অনুষ্ঠানে ঈশিতাকে টিকিট হ্যাড ওভার করবে বলে বেরিয়ে যায়। ওদিকে ঈশিতাও সেখানে হাজির হয় ছদ্মবেশে। 😱

অরণ্য যখন রাজমহলের এই বিশ্বকর্মা পূজোর অনুষ্ঠানের খবরটা জানতে পারে, তখন তার মনে হয় এটাই সবথেকে উপযুক্ত জায়গা ছোট রাজকুমার এবং ঈশিতার দেখা করার। সেই কথাটা সে ফুলকিকে জানালে, ঠিক হয় তারা সবাই ছদ্মবেশে সেই অনুষ্ঠানে যাবে। 👍

সেইমতো অরণ্য, তমাল ও পিয়াল ডান্স করার দলের সাথে যোগ দেয়। উল্টোদিকে ফুলকি ছদ্মবেশে ওই ভিড়ের মধ্যেই সবটা লক্ষ্য রাখতে থাকে। 👀 এরপর ঈশিতা ও ছোট রাজ কুমার যখন মঞ্চে অরণ্য, তমাল ও পিয়ালকে পারফর্ম করতে দেখে, তখন তারা ভয় পেয়ে যায়। ফুলকি ওদিকে সুযোগ বুঝে বাইরে অপেক্ষা করতে থাকে। এদিকে ঈশিতাও ভয় পেয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ফলে ফুলকি তাকে ধরে ফেলে এবং তাকে বক্সিং গ্লাভস দিয়ে সজোরে একটা ঘুষি মারে। 😜 এরপর সেখানে এসে হাজির হয় পুলিশ। স্বাগতা ম্যাডাম এবং অংশুমানও এসে হাজির হয় সেখানে।

ঈশিতাকে অভিরূপ সামন্তের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু ঈশিতা প্রথমে কিছুই বলতে চায় না। তবে ফুলকির কাছে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারে না সে। 😜 শেষ পর্যন্ত ঈশিতা জানিয়ে দেয়, অভিরূপ সামন্ত সেজে যেই ব্যক্তি রোহিতের খুন করেছে এবং ফুলকি ও তার গর্ভের সন্তানকে মারতে চেয়েছে.! সে আসলে আর কেউ নয়, সে হচ্ছে স্বয়ং রুদ্র রূপ সান্যাল। 😱 স্বাভাবিকভাবেই এই কথাটা শুনেই সবার চক্ষু এক্কেবারে ছানাবড়া হয়ে যায়। 👀

So এবার কি তাহলে অবশেষে বিদায় ঘন্টা বেজেই গেছে রুদ্র রূপ সান্যালের.? 🤔 এবার কি তাহলে সত্যি সত্যিই শেষ হতে চলেছে তার গল্প.? 🤔 তোমাদের কি মনে হয়, অবশ্যই জানিও কিন্তু কমেন্ট করে..!! 🥰😋

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

Leave a Comment

Latest Updates